Image description

সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা মেজর মো. মানজিল হায়দার চৌধুরী গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকীর অপকর্মের তথ্য পাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।

 

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের লেখেন, ‘অবশেষে গ্রেফতার হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা মেজর মো. মানজিল হায়দার চৌধুরী।’

 

‘দীর্ঘ ১২ বছর ডিজিএফআই সদর দপ্তরে প্রশাসনিক শাখায় কোয়ার্টার মাস্টার হিসেবে কাজ করার আড়ালে, মানজিল মূলত কুখ্যাত মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেই কাজ করতেন। তারিক সিদ্দিকীর সকল গোপন সম্পদের তদারকির সাথে সরাসরি জড়িত ছিল বরখাস্ত এই কর্মকর্তা।’

 
 

 

‘তারিক সিদ্দিকীর ছত্রচ্ছায়ায় অত্যন্ত বেপরোয়া মানজিল হায়দার ঢাকা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে ডিজিএফআই অফিসার্স মেসকে কে তার সকল দেন দরবারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতেন, ২০২১ সালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে বরখাস্ত মেজর মানজিল ও সে সময় ডিজিএফআই-তে কর্মরত আরেক কর্মকর্তা বিএ ৬০৫৭ মেজর এ এস এম মশিউল আলম মিলে জনৈক ব্যবসায়ীকে ডিজিএফআই অফিসার্স মেসে ডেকে এনে জোরপূর্বক টাকা আদায় করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।’

 

<>

 

‘অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার প্রেক্ষিতে মেজর মশিউলকে ডিজিএফআই হতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও মেজর মশিউল যখন জানতে পারেন যে, একই অভিযোগের কারণে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে কিন্তু মেজর মানজিলকে কোনো শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না, তখন তিনি এর বিরোধিতা করেন। যার কারনে মেজর মশিউলকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন না করে ডিজিএফআই বগুড়া শাখাতে অভ্যন্তরীণ বদলি করা হয়েছিল। তারিক সিদ্দিকীর এতটাই আস্থাভাজন কর্মকর্তা ছিলেন তিনি, তাই তো ধানমন্ডিতে একটি ফ্লাটও উপহার পান তিনি।’

 

জুলকারনাইন আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃত মানজিল হায়দার চৌধুরীকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত তারিক সিদ্দিকীর বিভিন্ন অপকর্ম, অর্থনৈতিক লেনদেনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য পাওয়া সম্ভব।’