সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের রফিনগর ইউনিয়নে পৃথক সংঘর্ষে দুজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যার দিকে ছাদিরপুর ও রফিনগর গ্রামে এই সংঘর্ষ হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, ছাদিরপুর গ্রামে ধান শুকানোর খলাকে কেন্দ্র করে হামিদ মিয়া ও হুসেন মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে হুসেন মিয়ার অনুসারী আহাদ নুর (২৭) মারা যান। তিনি গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।
বিকেলে সাদিরপুর গ্রামের মোশাহিদ মিয়ার ধান শুকানোর খলার ওপর দিয়ে ট্রলি নিয়ে যান একই গ্রামের হোসাইন আহমেদের লোকজন। এ নিয়ে সন্ধ্যার পর দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হলে টেঁটার আঘাতে আহাদ নুর গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, রফিনগর গ্রামে রাজহাঁস খাওয়া নিয়ে শফিক মিয়া ও আশরাফ মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে শফিক মিয়ার অনুসারী গিয়াস উদ্দিন (৫৫) মারা যান।
স্থানীয়রা জানান, আশরাফ মিয়ার লোকজন শফিক মিয়ার আত্মীয় আবুল বশরের রাজহাঁস চুরি করে বলে অভিযোগ ওঠে। বুধবার সন্ধ্যার দিকে বশর মিয়ার লোকজন হাঁস খাওয়ার কারণ জানতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে।
দিরাই থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।