সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। সাদ্দামের গুলিবিদ্ধ লাশ ভারতের ভেতরে পড়ে আছে বলে জানিয়েছে পরিবার। ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও তার লাশ এখনও হস্তান্তর করেনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষি বাহিনী (বিএসএফ)।
নিহত সাদ্দাম হোসেন উপজেলার উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা কুটু মিয়ার ছেলে। অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন তিনি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাদ্দামসহ কয়েকজন সীমান্ত পাড়িয়ে দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যাওয়ার পর খাসিয়ারা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয় সাদ্দাম। তার লাশ এখনও হস্তান্তর করেনি ভারত। এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কাজ করছে।
কোম্পানীগঞ্জ উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বলেন, ‘বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
এদিকে নিহতের পরিবারকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দিয়েছে বিজিবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন। এসময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা গুলি চালালে সাদ্দাম হোসেন নিহত হন ও তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া আহত হন। পরে অন্য সঙ্গীরা ফরহাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)। নিহতের বড়ভাই নাজীম উদ্দীন বলেন, ‘চার দিন পার হলেও ভাইয়ের লাশ পাইনি।’
শীর্ষনিউজ