Image description

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এবং আদাবর থানায় করা পৃথক দুটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে।

সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

যাত্রাবাড়ী থানায় করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ীর উত্তর কুতুবখালীর বউবাজার রোডে ছাত্র–জনতার ওপর নির্বিচার গুলি ছোড়েন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা। লর্ড হার্ডিঞ্জ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. আরিফের চোখের নিচে গুলি লাগে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা হয়। এ মামলার ঘটনার সঙ্গে খায়রুল হকের জড়িত থাকার ব্যাপারে সাক্ষ্য–প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনকালে হত্যাসহ একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

চলতি মাসে পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। কিন্তু জামিন আদেশের পরপরই নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আবেদন নিয়ে শুনানিতে প্রশ্ন তুলেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এই ঘটনাকে তারা জুডিশিয়াল মব সন্ত্রাস বলে দাবি করলেও বিচারকের আপত্তির প্রেক্ষিতে পরে ক্ষমা চান।

শীর্ষনিউজ