Image description

ঈদুল ফিতরকে ঘিরে নাড়ির টানে নীড়ে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুদিন পর কমতে শুরু করেছে। এরআগে সোমবার থেকে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখো মানুষ।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরের পর থেকে মহাসড়কে এই চাপ কমতে শুরু করেছে।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যে দীর্ঘ যানজট ছিল, সেটি আর নেই। স্বাভাবিক গতিতে চলছে যানবাহন। একই অবস্থা চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়কেও৷ তবে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় ৫ কিলোমিটার যানবাহনের ধীরগতি রয়েছে। সকাল হতে যে যেভাবে পারেন ট্রাক পিক-আপে করেও গন্তব্যের দিকে চলে গেছেন।

 

পরিবহন চালকরা বলেন, বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি হয় এবং বিকেল হতে টানা বৃষ্টি হওয়ায় যানজট সৃষ্ট হয়। রাতভর যানজটের ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা। কয়েক কিলোমিটারের পথ পাড়ি দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লেগেছে। তবে সকাল থেকে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। দুপুরের পর যাত্রীদের চাপ অনেকটা কমেছে।

 

এনামুল হক নামে ঘরমুখো এক যাত্রী বলেন, বুধবার থেকে যানজটের খবর শুনতে পেয়েছি। তবে আমি কোনাবাড়ি থেকে দুপুরের পর রওনা হয়েছি। কোনো যানজট নেই। এখন মানুষ স্বাভাবিক গতিতে চলছে যানবাহন।

 

এ বিষয়ে কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, বুধবার বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভোগান্তি হয়েছিল। তবে আজ সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। দুপুরের পর যাত্রীদের চাপও কমেছে। যাত্রীদের যাত্রা নিরাপদ রাখতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।