ইসলামের ৫ রূকনের মধ্যে জাকাত অন্যতম। ধনীর সম্পদে গরিবের হক আছে। সেই বিধান বলবৎ করতেই ইসলামে জাকাতের নির্দেশনা।
যদি কেউ জাকাত ফরজ হওয়াকে অস্বীকার করে, তবে সে ইসলাম থেকে বিচ্যুত হবে। আর কেউ যদি ফরজ স্বীকার করেও কৃপণতা বা অবহেলার কারণে জাকাত আদায় না করে, তবে সে গুরুতর গুনাহগার হবে। রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব হলো তার কাছ থেকে জাকাত আদায় করা।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমি মানুষের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর রাসূল, নামাজ কায়েম করে এবং জাকাত আদায় করে।’ হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর শপথ! যদি তারা একটি মেষশাবকের জাকাত দিতেও অস্বীকৃতি জানায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ করব।’
জাকাত না দেওয়ার পরিণতি
যারা জাকাত আদায় করে না, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে কঠিন শাস্তির ঘোষণা রয়েছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য জমা করে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সংবাদ দাও।’ (সূরা তাওবা : ৩৪।)
হাদিসে এসেছে, কিয়ামতের দিন জাকাত না দেওয়া স্বর্ণ-রৌপ্য আগুনে উত্তপ্ত করে তাদের কপাল, পার্শ্বদেশ ও পিঠে দাগ দেওয়া হবে। আবার অন্য হাদিসে বলা হয়েছে, যে জাতি জাকাত দেয় না, আল্লাহ তাদের ওপর বৃষ্টি বন্ধ করে দেন।