যশোরের কেশবপুরে মসজিদে অহেতুক বৈদ্যুতিক পাখা (ফ্যান) চালিয়ে ‘বাতাস খেতে’ নিষেধ করায় সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকালে উপজেলার ঝিকরা গ্রামের ঝিকরা উত্তরপাড়া জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য এবং একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। গুরুতর আহত এক ব্যক্তিকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও আহত ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, মসজিদটি নির্মাণাধীন এবং বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির কারণে পরিশোধে সমস্যা হচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকজন দিনের বেলায় নামাজের সময় ছাড়াও মসজিদের বৈদ্যুতিক পাখা চালিয়ে অযথা বাতাস খাচ্ছিলেন। মসজিদের ফ্যানের এমন ব্যবহার নিষিদ্ধ করলে তাদের সঙ্গে মারধরের ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে আহত আনিসুর রহমান বলেণ, কাদের, শাহাদাত জলিল, রাসেল ও তাদের ভাইপো ইমরান দিনের বেলায় মসজিদে শুয়ে থাকেনন। মসজিদের পরিচালনা কমিটির সদস্য, ঝিকরা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক আবদুল আহাদ কাদের এবং অন্যান্য কমিটি সদস্যরা তাদের নিষেধ করলে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে হামলা চালান। জোহরের নামাজের সময় মুসল্লিরা প্রতিবাদ করলে তাদেরও মারধর করা হয়।
ঘটনায় আবদুল আহাদ (৫০) গুরুতর আহত হন এবং কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহতরা হলেন হাবিবুল্লাহ (২২), আজিবর খান (৬০), শাহিন (৩৫), আনিসুর রহমান (৪৫), বায়োজিদ (১৮), আজহারুল ইসলাম (৩০) এবং অজিয়ার রহমান (৫৫)।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকদেব রায় জানান, ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।