Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথমদিন বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এটিই ছিল সংসদের প্রথম অধিবেশন। তাই স্বাভাবিকভাবেই এবারের অধিবেশন নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যতিক্রম আগ্রহ ছিল। গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে নিয়ে অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই যে উত্তাপ তৈরি হতে পারে, এমন আভাসও আগে থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। ঘটেছেও তাই, রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে প্রথম দিনই বিরোধী দলের ওয়াকআউটসহ, বিতর্ক এবং নাটকীয়তায় ভরা ছিল অধিবেশনের প্রথম দিন।

 

অধিবেশন শুরু

 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতিতে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক হত্যা মামলায় কারাগারে থাকায় জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে জামায়াতসহ সব সংসদ সদস্যদের সম্মতিতে খন্দকার মোশাররফ সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

 

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন

 
 

 

অধিবেশনে স্পিকার হিসেবে ভোলা–৩ আসনের সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করেন প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। এতে সমর্থন করেন হুইপ রাকিবুল ইসলাম। পরে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় কণ্ঠভোটে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার নির্বাচিত হন।

 

এরপর ডেপুটি স্পিকার পদে নেত্রকোণা–১ আসনের সংসদ সদস্য কায়সার কামালের নাম প্রস্তাব করেন হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার। হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান তা সমর্থন করলে কণ্ঠভোটে তিনিও নির্বাচিত হন। পরে সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তাদের শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

 

এদিকে, জুলাই জাতীয় সনদে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করার কথা থাকলেও জামায়াতে ইসলামী সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। যদিও বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান আগেই বলেছিলেন, জুলাই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলেই তারা ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করবে।

 

শোকপ্রস্তাব

 

স্পিকার নির্বাচনের পর তার সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ সংসদ সদস্যের প্রতি শোকপ্রস্তাব আনা হয়।

 

এ সময় বিরোধীদলীয় উপনেতা জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী, কাদের মোল্লসহ বিভিন্ন নেতার প্রতি শোকপ্রস্তাব আনার দাবি জানান।

 

এ ছাড়া শরিফ ওসমান বিন হাদি, আবরার ফাহাদ, ফেলানী খাতুনের নাম শোকপ্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

 

এরপর প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয় এবং নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) মোনাজাত পরিচালনা করেন।

 

রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে হট্টগোল ও ওয়াকআউট

 

বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপি আগে থেকেই বলে আসছিল, আওয়ামী লীগের সময় দায়িত্ব পাওয়া রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন যেন সংসদে ভাষণ না দেন। তবে বিএনপি তাতে একমত ছিল না। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দিতে আসলে জামায়াত জোটের এমপিরা আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। এ সময় তারা ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি চলবে না’ লেখা লাল রঙের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

 

রাষ্ট্রপতি সংসদে তার ভাষণ শুরু করলে বিরোধী দলের সদস্যরা হট্টগোল করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা স্লোগান দিতে দিতে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।

 

ভাষণে যা বললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

 

রাষ্ট্রপতি ভাষণের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তিনি বলেন, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সকল নেতার অবদানকেও আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

 

সাহাবুদ্দিন বলেন, দেশে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিএনপি সরকারের ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে ২০০১ সালের জুন মাসে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছিল। এরপর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্নীতি দমনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ফলে বিশ্বে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কলঙ্ক থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পায়।

 

রাষ্ট্রপতি ভাষণে বেশ কয়েকবার আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, রক্তক্ষয়ী আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে এবং হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে। দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নির্যাতন-নিপীড়নের কথাও ভাষণে উল্লেখ করেছেন তিনি। তার এমন বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়ে সমর্থন করতে দেখা যায়।

 

এ ছাড়া বিএনপি সরকার তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে দেশের জন্য কী কী করবেন, তার বিস্তারিত ফিরিস্তি রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে দেন। ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বলে ভাষণ শেষ করেন তিনি।

 

মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি করেছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।

 

১৩৩ অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য উত্থাপন

 

অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সংসদ কার্যকর না থাকায় সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদের অধীনে এই অধ্যাদেশগুলো জারি করা হয়েছিল।

 

সংবিধান অনুযায়ী, যেকোনো অধ্যাদেশ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপন করতে হয় এবং অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে সেগুলো পাস হতে হয়। আর তা না হলে সেগুলোর আইনি বৈধতা থাকে না।

 

সংসদে অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে উত্থাপনের পর চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি ১৪ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। কমিটি এই বিলগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবে। ১৩৩টি অধ্যাদেশ হলো-

 

১. বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

২. জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

৩. উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

8. স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ৫. স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

৬. শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

৭. বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

৮. বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

৯. জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১০. পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১১. সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১২. জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১৩. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ১৪. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১৫. বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১৬. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১৭. বাংলাদেশ ল অফিসারস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪

 

১৮. মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

১৯. The Excises and Salt (Amendment) Ordinance, 2025

 

২০. সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২১. International Crimes (Tribunals) (Amendment) Ordinance, 2025

 

২২. বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২৩. শেখ রাসেল পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২৪. শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, জামালপুর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২৫. বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২৬. বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২৭. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২৮. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

২৯. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩০. শেখ হাসিনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা, (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩১. বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩২. পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩৩. পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩৪. সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩৫. Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 ৩৬. ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩৭. International Crimes (Tribunals) (Second Amendment) Ordinance, 2025

 

৩৮. সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৩৯. গ্রামীন ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪০. জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪১. রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪২. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪৩. সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

88. বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪৫. অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪৬. জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪৭. জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪৮. নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৪৯. নির্দিষ্টকরণ অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৫০. অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৫১. Protection and Conservation of Fish (Amendment) Ordinance, 2025

 

৫২. আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৫৩. Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025

 

৫৪. সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৫৫. মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৫৬. ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০১৫

 

৫৭. জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৫৮. Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025

 

৫৯. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৬০. স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬১. স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৬২. স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৬৩. রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৪. স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৫. গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৬. উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৬৭. নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৬৮. নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৯. অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৭०. International Crimes (Tribunals) (Third Amendment) Ordinance, 2025

 

৭১. সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৭২. Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025

 

৭৩. Representation of the People (Amendment) Ordinance, 2025

 

৭৪. মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৭৫. কাস্টমস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৭৬. আয়কর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৭৭. জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৭৮. ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০১৫

 

৭৯. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮০. জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮১. আমানত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮২. বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮৩. মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮৪. গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮৫. বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮৬. ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮৭. রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮৮. স্থানিক পরিকল্পনা অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৮৯. সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯০. গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯১. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯২. Representation of the People Order (Second Amendment) Ordinance, 2025

 

৯৩. পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯৪. বৈদেশিক অনুদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯৫. সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯৬. দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯৭. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

 

৯৮. বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

৯৯. বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০০. বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০১. Registration (Amendment) Ordinance, 2026

 

১০২. মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০৩. গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০৪. আইনগত সহায়তা প্রদান (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০৫. বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০৬. বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০৭. বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০৮. বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১০৯. ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১০. রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১১. বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১২. ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১৩. রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১৪. সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১৫. জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১৬. মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১৭. বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১১৮. Protection and Conservation of Fish (Amendment) Ordinance, 2026

 

১১৯. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২০. ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২১. Registration (Second Amendment) Ordinance, 2026

 

১২২. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২৩. ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২৪. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২৫. বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২৬. জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২৭. তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২৮. বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১২৯. কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১৩০. নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

১৩১. Negotiable Instruments (Amendment) Ordinance, 2026

 

১৩২. Bangladesh House Building Finance Corporation (Amendment) Ordinance, 2026

 

১৩৩. বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬

 

স্পিকারের বক্তব্য, মাইকে কারিগরি ত্রুটি ও অধিবেশন মুলতবি

 

নতুন স্পিকারের সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুত্বে সংসদের মাইকে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় স্পিকার হ্যান্ডমাইকে বক্তব্য চালিয়ে যান এবং জোহরের নামাজের জন্য ২০ মিনিটের বিরতি ঘোষণা করেন।

 

বিরতির পর স্পিকার বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ, এটাই হোক আমাদের মূলমন্ত্র। তিনি মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন সময়ে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথা স্মরণ করেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

 

অধিবেশনের বিভিন্ন পর্যায়ে সংসদীয় রীতিনীতি মানার আহ্বান, কার্যপ্রণালি বিধিমালা অনুসরণের কথা স্মরণ করানো এবং সদস্যদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়ে সংসদ পরিচালনায় দৃঢ় অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করেন স্পিকার।

 

প্রথম দিনের কার্যক্রম শেষে স্পিকার সংসদের চলমান অধিবেশন আগামী ১৫ মার্চ সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন।