ইরান এখন থেকে শুধু পাল্টা আঘাত নয়, বরং শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ও বিরতিহীন হামলা চালিয়ে যাবে বলে সতর্ক করেছে ইরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড বা ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ সামরিক কমান্ড হেডকোয়ার্টার। খবর আলজাজিরার।
সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি আরও সতর্ক করে বলেছেন যে, ওয়াশিংটন তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ‘আমরা এক লিটার তেলও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের অংশীদারদের কাছে পৌঁছাতে দেব না। এসব গন্তব্যের অভিমুখে যাত্রা করা যেকোনো জাহাজ বা ট্যাঙ্কার আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।’
ইব্রাহিম জোলফাকারি আরও যোগ করেন, ‘তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০০ ডলার হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। কারণ তেলের দাম নির্ভর করে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা স্থিতিশীলতার ওপর, যা আপনারা অস্থিতিশীল করে তুলেছেন।’
এদিকে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল সঙ্কটের প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জাপান জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে জ্বালানির উচ্চমূল্য মোকাবিলা করতে তারা তাদের তেলের মজুত ব্যবহার শুরু করবে। অন্যদিকে, জার্মানির একটি সরকারি সূত্র এএফপি নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে যে, জার্মানিও একই পদক্ষেপ নেবে।
এ প্রসঙ্গে ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী রোল্যান্ড লেসকিউর বলেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের কৌশলগত তেল মজুতের একটি অংশ বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত সমন্বিত কৌশলের অংশ।
ইরান অভিযোগ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হরমুজ প্রণালীর একটি দ্বীপে অবস্থানরত একটি সামুদ্রিক অ্যাম্বুলেন্সে হামলা চালিয়েছে।
মেহর নিউজ এজেন্সি আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলন্ত নৌকার ফুটেজ দেখিয়ে জানিয়েছে, ‘আজ বিকেলে মার্কিন-জায়নবাদী হামলার পর হরমুজ দ্বীপের ডকে রাখা একটি সামুদ্রিক অ্যাম্বুলেন্স ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই নৌযানটি দ্বীপ থেকে জরুরি রোগীদের ইরানের দক্ষিণ হরমোজগান প্রদেশের বন্দর আব্বাসে স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হতো।
শীর্ষনিউজ