Image description

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরান ইসরায়েল এবং বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট” স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। সোমবার বাহরাইনের প্রধান তেল শোধনাগারে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

হামলার পরই একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খলিফা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন এবং বাহরাইনে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে।

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ একটি পোস্টে লেখা হয়,“The King of Bahrain has fled the country… Israeli-backed Sheikh Hamad bin Khalifa has fled the country.”

আরেকটি ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়,“BIG BREAKING Bahrain King ‘Hamad bin Isa Al Khalifa’ has FLED THE COUNTRY. People have overthrown the US-Israel puppet regime Bahrain.”

ভারতের আজতাক বাংলা “বাহরেন দখল করল ইরান! USAপন্থী রাজা Hamad Bin Isa Al Khalifa প্রাসাদ ছেড়ে পালালেন” শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের একাধিক ব্যক্তিও এমন দাবি প্রচার করেছেন।

দেখুন এখানে এবং এখানে

দ্য ডিসেন্ট যাচাই করে দেখেছে, এমন দাবি সত্য নয়। হামলার পর বাদশাহ হামাদকে একাধিক টিভি বার্তা ও সরকারি প্রতিবেদনে মানামা থেকেই বক্তব্য দিতে দেখা যায়—যা “পালিয়ে যাওয়ার” দাবির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

এছাড়াও, বাহরাইনের স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যম, বাহরাইনের সামরিক বাহিনী এবং সরকারের যোগাযোগমাধ্যম—কোথাও বাদশাহর পালিয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের হামলার পর বাদশাহর বক্তব্য প্রচার করে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন দেখুন এখানেএখানে এবং এখানে

এছাড়াও, AP ও আল জাজিরা প্রকাশিত ভিডিওতে বাদশাহকে ক্যামেরার সামনে ইরানি হামলার নিন্দা জানাতে দেখা যায়।

দেখুন এখানে এবং এখানে

এর আগে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতেও টিকটকে দাবি ছড়ানো হয়েছিল যে প্রো–ইয়েমেন বিক্ষোভের মুখে বাদশাহ সৌদি আরবে পালিয়ে গেছেন। ফ্যাক্ট-চেক প্রতিষ্ঠান Lead Stories তখন সরকারি টিভি ফুটেজ দেখিয়ে দেখিয়েছিল, তিনি পরদিনই মানামায় তরুণ ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দিচ্ছিলেন।