মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে সৌদি আরবে ফের ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। এবার হামলা করা হয়েছে সৌদির রাজধানী রিয়াদ এবং সংলগ্ন উপশহর আল খারজে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান থেকে আসা ড্রোনগুলোর মধ্যে অন্তত ৮টিকে আটকে দিতে পেরেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। তবে কয়টি ড্রোন ছোড়া হয়েছিল এবং এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা – সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য বিৃবতিতে পাওয়া যায়নি।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, এতে সীমিত আগুন এবং সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে সিএনএনকে জানিয়েছে একটি সূত্র।
.jpg)
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা এই অঞ্চলে আমেরিকান রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার কাজ শুরু করেছে।
কয়েক সপ্তাহের উত্তেজনা ও হুমকির পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের উপর সামরিক অভিযান শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘বড় ধরনের যুদ্ধের অভিযান’ শুরু করেছে। এর আগে একই দিনে ইরানের রাজধানী তেহরান ও অন্যান্য শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল।
ইরানের জবাবে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। আল-জাজিরা জানিয়েছে, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এ সামরিক অভিযানের লক্ষ্য ইরানে ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর পতন। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সব স্বার্থ এখন ইরানের হামলার বৈধ লক্ষ্য।