Image description

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটের ককপিটে পাইলট ও কো-পাইলটের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কো-পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে ছুরিকাঘাত করেন এবং বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমানটি হঠাৎ নিচে নামতে শুরু করে। ওমানি নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত ওই কো-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, মারাত্মক আহত হওয়া সত্ত্বেও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার শেষ মুহূর্তে ককপিটের দরজা খুলে ফেলতে সক্ষম হন। এরপর জ্ঞান হারানোর আগে যাত্রীরা ককপিটে প্রবেশ করে হামলাকারীকে নিবৃত্ত করেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সাহসিকতার জন্য ক্যাপ্টেন মাচ্ছারকে ‘প্রকৃত হিরো’ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-তে ১৭০ জনের বেশি ইসরায়েলি যাত্রী ছিলেন। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং ডাটা অনুযায়ী, ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। পরে ফ্লাইটে থাকা অন্য দুই পাইলট এগিয়ে এসে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেন এবং সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।

 

 

ঘটনার পর জানা গেছে, ওমানের নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত ওই কো-পাইলট এক বছরেরও কম সময় ধরে ফ্লাইদুবাইয়ে কাজ করছিলেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, তিনি বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বা ধ্বংস করে বড় ধরনের দুর্ঘটনার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। সৌদি আরবে অবতরণের পর তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাবুক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত যাত্রীরা পরবর্তীতে অন্য একটি ফ্লাইটে ইসরায়েলে ফিরে যান। এই ঘটনার পর ইসরায়েল ও বিদেশি বিমানগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। 

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে