জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ সময় কিউবার প্রতিনিধিদল তার ভাষণ বর্জন করেন। দেশটির সমালোচনা শুরু করলে সাধারণ পরিষদের কক্ষ থেকে উঠে চলে যেতে দেখা যায় তাদের।
গত এক বছরে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমেই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।
ভাষণে ট্রাম্প কিউবাকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কমিউনিস্ট শাসিত দ্বীপ দেশটিতে স্বাধীনতা আসছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি সম্পৃক্ততার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বললেন, ‘আমার প্রশাসন কিউবার পরিস্থিতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনারও চেষ্টা করছে। সেখানে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা ব্যাপক চাপের মধ্যে রয়েছে—তারা এর আগে কখনো এতটা চাপের মুখে পড়েনি। এটি পুরোপুরি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন এটি বেশি ব্যর্থ হচ্ছে এবং এর পতন ঘটবে।’
ট্রাম্প আরও বললেন, ‘কমিউনিজম কখনোই আমেরিকায় আসবে না। তবে স্বাধীনতা কিউবায় আসবে।’
তবে কিউবায় পরিবর্তন বলতে তার প্রশাসন ঠিক কী বোঝে, তার বিস্তারিত কোনো চিত্র এখনো দেয়নি প্রশাসন। ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর এখন পর্যন্ত সেখানে কোনো না কোনোভাবে সরকার বহাল রয়েছে। কিউবার ক্ষেত্রেও সরকার একইভাবে কোনোরূপে বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়েও প্রশাসন বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স