Image description

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের হাতে এখনো তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় ২১ থেকে ২২ শতাংশ অবশিষ্ট রয়েছে।

শনিবার (০৬ জুন) টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের দিকে ছোড়া চারটি একমুখী ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। এরপরই ইরানের উপকূলীয় নজরদারি রাডার লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় তারা। এসব রাডার গোরুক শহর এবং কেশম দ্বীপে অবস্থিত।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, ড্রোনগুলো হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক চলাচলের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিল। ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ওই রাডার স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়।

 
 

অন্যদিকে একই দিনে ইরান দাবি করে, ওমান উপসাগরে দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের দিকে তারা ‘সতর্কতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র’ নিক্ষেপ করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই দাবি অস্বীকার করেছে।

 
 

চলমান উত্তেজনার মধ্যে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলা ও অভিযোগ অব্যাহত রেখেছে। কুয়েতের পক্ষ থেকেও সম্প্রতি ইরানের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করা হয়েছে।

 

এদিকে ট্রাম্প তার সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরানের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে এবং যুদ্ধক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়নি। তার মতে, ইরানের মোট ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের প্রায় ২১ থেকে ২২ শতাংশ এখনো অবশিষ্ট থাকতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত নাজুক। সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এর আগে এপ্রিলের ৮ তারিখ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সমঝোতা প্রক্রিয়া এখনো স্থায়ী রূপ পায়নি। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকেও প্রভাবিত করছে বলে মনে করা হচ্ছে।