বৈরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ করার পরপরই থিওডোসিয়া কারামকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।
পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইসরায়েলি ড্রোন তাকে লক্ষ্যবস্তু করে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুতে সহপাঠীরা ভেঙ্গে পড়েছেন।
তার বন্ধু রিন তুমা বলেছেন, ‘থিওডোসিয়ার মধ্যে যে-ই প্রথম নজর কাড়ত, তা হলো তার হাসি। আমরা তাকে সবসময় হাসতে দেখতাম।’
আরেক বন্ধু তাকে ‘ঈশ্বরের দান’ বলে বর্ণনা করেছেন।
ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লেবানন সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও তা লঙ্ঘন করে রাজধানী বৈরুতসহ দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যহত রেখেছে ইসরায়েল।
মার্চ মাসে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা শুরু করার পর থেকে দেশটিতে নিহত সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে কারামও একজন।
সূত্র: আলজাজিরা