চলমান ইরান যুদ্ধের মধ্যেই পাকিস্তান সৌদি আরবে ৮ হাজার সৈন্য, এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান (যেখানে ১২ থেকে ২৪ টি যুদ্ধবিমানের বহর থাকে) এবং একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। উভয় দেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির রয়েছে।
এতে রিয়াদের সঙ্গে ইসলামাবাদের সামরিক সহযোগিতা আরো জোরদার হল। যদিও ইরান যুদ্ধে ইসলামাবাদ প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তিনজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং দুটি সরকারি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
জানা যায়, সৌদি আরবে সৈন্য ও যুদ্ধবিমানের এক স্কোয়াড্রন মোতায়েনের লক্ষ্য হল সৌদিতে শত্রু পক্ষের কোন আক্রমণ হলে তা প্রতিরোধে সহায়তা করা।
তবে এই বিষয়ে মন্তব্যে পাকিস্তানের সামরিক ও পররাষ্ট্র দপ্তর এবং সৌদি আরবের সরকারি গণমাধ্যম দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
গেল বছর রিয়াদ-ইসলামাবাদ স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিটি অতিগোপনীয়তায় রাখা হয়। তবে উভয়পক্ষ বলেছিলো, শত্রুর আক্রমনের ঘটনা ঘটলে পাকিস্তান-সৌদি একে অপরের প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসবে। চুক্তির সময় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছিলো, এই চুক্তিটি সৌদি আরবকে পাকিস্তানের পারমাণবিক ছাতার নিচে নিয়ে এসেছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি যুদ্ধ বিমানের একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে। যার বেশিরভাগই চীনের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। যেগুলো এপ্রিলের শুরুতে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছে।
পাকিস্তান দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রনও পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
পাঁচটি সূত্রই জানিয়েছে, প্রায় ৮ হাজারের মতো সৈন্য মোতায়েনে করা হয়েছে।