Image description

এলভিনো জাতের মহিষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওজন ৭১৩ কেজি। তারই পাশে দাঁড়ানো নেতানিয়াহুর ওজনও প্রায় কাছাকাছি। একসঙ্গে তাদের বেড়ে ওঠাও। কখনও কখনও তারা খুনসুটিতে মেতে উঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে দেখতে প্রতিনিয়ত দর্শনার্থী ও ক্রেতারা ভিড় করছে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবারও নারায়ণগঞ্জের আরও একটি এগ্রো ফার্মে দেখা মিললো মহিষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে এবার ডোনাল্ড ট্রাম্প একা নয়, তার সঙ্গে রয়েছে পুরনো বন্ধু নেতানিয়াহু। অ্যালবিনো জাতের মহিষটিরও মাথায় স্টাইলিশ বা অদ্ভুত চুলের স্টাইলের কারণে এটার নাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামানুসারে রেখেছে খামারিরা। এর ঠিক পাশের মহিষটির নাম রাখা হয়েছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নামানুসারে। 

শীতলক্ষ্যার পূর্বপাড়ে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের এসএস ক্যাটল নামের এগ্রো ফার্মটিতে বেড়ে ওঠেছে তারা। এছাড়া ফার্মটিতে বিদেশ জাতের মহিষ ছাড়াও দেশি ও বিদেশি জাতের গরু ও  ভেড়া রয়েছে। বিশালাকারের বেশ কিছু গরুও রয়েছে। যেগুলোর ওজন প্রায় এক টন বা তার বেশি।

এসএস ক্যাটল নামের এগ্রো ফার্মের কর্মচারীরা জানায়, মাথার চুলের কারণে এই মহিষটির নাম দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশের আরেকটি মহিষের সঙ্গে এই ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশ খাতির। আর সেটি দেখতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মতো। যে কারণে তারা ট্রাম্পের পাশাপাশি সেটির নাম নেতানিয়াহু রেখেছেন। এই দুটি প্রায়ই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে। খাবার দেওয়া নিয়েও মেজাজ দেখায়। তাদের খাবারও অনেক স্পেশাল। তারা ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খেতে পছন্দ করে। তাদের নাম ছড়িয়ে পড়লে অনেকে দেখতে আসেন। অনেকে কিনতেও আসেন।

কয়েকজন দর্শনার্থী জানায়, তারা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু নামের মহিষের নাম শুনে দেখতে এসেছেন। দেখে তাদের অনেক ভালো লেগেছে। মহিষগুলো দেখতে অনেক সুন্দর। এছাড়াও চুলের স্টাইলের কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাদের মিল রয়েছে।

এসএস ক্যাটল নামের এগ্রো ফার্মের ম্যানেজার মেহেদী হাসান জানান, এগুলো এলভিনো জাতের মহিষ। কর্মচারীরা মহিষ দুটির নামকরণ করে। তারা দুইজনই বর্তমানে গোটা বিশ্বে আলোচিত। তাই নাম রাখার ক্ষেত্রে আমরাও পিছিয়ে থাকিনি।

তিনি জানান, ফার্মে বিভিন্ন নামের ও জাতের দেশি-বিদেশি গরু রয়েছে। তবে ইউনিক নামের গরু মহিষগুলোর প্রতি শিশু কিশোরদের বেশি আকর্ষণ করছে।