Image description

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানকে টোল বা কোনো ধরনের অর্থ প্রদান করলে জাহাজ কোম্পানিগুলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলমান উত্তেজনা আরো চরম আকার ধারণ করল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা দিতে শুরু করে। এক পর্যায়ে ইরান কার্যকরভাবে এই পথটি বন্ধ করে দিলেও পরে কিছু শর্ত সাপেক্ষে জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেয়।

 
তবে অভিযোগ উঠেছে, তেহরান তাদের উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ পথ ব্যবহারের বিনিময়ে বিভিন্ন জাহাজের কাছ থেকে যাতায়াত মাশুল আদায় করছে।

 

শুক্রবার (১ মে) যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, শুধু নগদ অর্থই নয়, ডিজিটাল কারেন্সি, দাতব্য অনুদান বা অনানুষ্ঠানিক কোনো বিনিময়ের মাধ্যমেও যদি ইরানকে অর্থ দেওয়া হয়, তবে তা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। এমনকি ইরানি দূতাবাসে অর্থ প্রদানকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তেহরান যাতে কোনোভাবেই তাদের দুর্বল অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য রাজস্ব সংগ্রহ করতে না পারে, সেজন্যই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইরানকে তেলের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করতে গত ১৩ এপ্রিল থেকে দেশটির বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২ মে) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের কড়াকড়ির কারণে অন্তত ৪৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পথ পরিবর্তন করে ফিরে যেতে বলা হয়েছে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।