Image description

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সামরিক বিকল্প পর্যালোচনা করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাকে হালনাগাদ সামরিক পরিকল্পনা সম্পর্কে ব্রিফ করবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। 

অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ব্রিফিংয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো ইঙ্গিত নেই যে, ট্রাম্প আবারও সরাসরি সামরিক হামলা শুরু করতে আগ্রহী।

বরং তিনি ইরানকে চুক্তিতে বাধ্য করতে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশলেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

 

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে সূত্রগুলো জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে দেশটির বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ চালিয়ে যেতে চায়। এমনকি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ রাখার পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।

এর আগে গতকাল বুধবার ট্রাম্প বলেন, ‘এই অবরোধ একটি চমৎকার পদক্ষেপ।

এখন তাদের (ইরানকে) শুধু হার স্বীকার করতে হবে।’

 

অন্যদিকে, পেন্টাগন সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি অব্যাহত রাখলেও, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী বলে জানা গেছে।

বর্তমানে একটি অনির্দিষ্টকালীন যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য তার ওপর সময়ের চাপ নেই।

 

সামরিক প্রস্তুতি ও অর্থনৈতিক চাপ—এই দুই কৌশল একসঙ্গে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে চাইছে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।