Image description

আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে তুরস্কের জাতীয় পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আজারবাইজান। গত ২৩ এপ্রিল একটি মশাল মিছিল চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে।

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই নিন্দার কথা জানায়।

 

আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে আর্মেনিয়াকে এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই ধরনের কর্মকাণ্ড আর্মেনিয়ার জাতিগত ঘৃণাভিত্তিক ফ্যাসিবাদী মানসিকতা এবং প্রতিশোধপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই ধরনের আচরণের নিন্দা জানানো এবং তা প্রতিরোধ করা উচিত।’

 

আজারবাইজান আরও অভিযোগ করেছে, আর্মেনীয় সরকারের উচিত ছিল এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বিষয়টিকে ‘জাতিগত ঘৃণার প্রচারণা’ হিসেবে অভিহিত করে মন্ত্রণালয় আরও বলে, ‘গণতান্ত্রিক আদর্শ, সমাবেশের স্বাধীনতা বা বাকস্বাধীনতার অজুহাতে এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের প্রতি উদাসীন থাকা মোটেও কাম্য নয়।’

 

এদিকে, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানও এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরমেনপ্রেসের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার পাশিনিয়ান পতাকা পোড়ানোর এই কাজকে ‘উসকানিমূলক’ এবং ‘উত্তেজনা সৃষ্টিকারী’ আচরণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি নাজেলি বাঘদাসারিয়ান বলেন, একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র, বিশেষ করে একটি প্রতিবেশী দেশের পতাকা পোড়ানো দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং অগ্রহণযোগ্য। এই ধরনের আচরণের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

 

তুরস্ক এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের বরফ গলিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা যখন চলমান, ঠিক তখনই এই ঘটনা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিল।