Image description

ইরানের ওপর দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় তীব্র যুদ্ধ। এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল মার্কিনি ও ইরানিদের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে ইরান উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। এতে এসব দেশ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ঘোষণা দিয়েছে তারা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কোন দেশের ওপর ভরসা করা যায় এ বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাববে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস বলেন, “একটি বিশ্বাসঘাতকতামূলক হামলাকে সফলভাবে মোকাবিলা করার আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমরা এখন আমাদের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মানচিত্রটি খুব সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করে দেখব। আমাদের লক্ষ্য হলো এটা নিশ্চিত করা যে, ঠিক কাদের ওপর আমরা ভরসা করতে পারি। একইসাথে আমরা এমন এক অর্থনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলব যা আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও মজবুত করবে।”

“আমরা কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেব সেগুলো নিয়ে যৌক্তিক বিচার-বিশ্লেষণই আমাদের ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার সঠিক রাস্তা।”

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে এটিকে স্বাগত জানায়। তবে আমিরাত এ থেকে বিরত থেকেছে। দেশটি বলেছে, যুদ্ধবিরতি আসলে কিসের ভিত্তিতে হয়েছে আগে সেটি তাদের কাছে পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়া কোনো পূর্বশর্ত ছাড়া হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে।

সূত্র: আলজাজিরা

শীর্ষনিউজ