যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও শঙ্কা কাটছে না। এখনো উত্তেজনা রয়ে গেছে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা এ উত্তেজনাকে যেন আরো উসকে দিয়েছে। এই অবস্থার মাঝে আবারো একটি ভিডিও নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় ইসরায়েলের এক পাইলট হামলা চালাতে এসে ইরানি জনগণের হাতে ধরা পড়ে মারধরের শিকার হয়েছেন।
তবে ফ্যাক্টচেকিং নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওটি সঠিক নয়। এটি মূলত গত ১৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরের মিনিয়াপোলিস সিটি হলের সামনে সংঘটিত একটি বিক্ষোভ ও পালটা বিক্ষোভের সময়কার ভিডিও। ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক স্টেফানি কিথের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ১৮ জানুয়ারি প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মিনিয়াপোলিস সিটি হলে নিজের আয়োজিত ছোট একটি বিক্ষোভ থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় ডানপন্থি ইনফ্লুয়েন্সার জেক ল্যাং মাথায় লাথি খেয়েছেন।
একই প্রেক্ষাপটে ১৮ জানুয়ারিতে দ্য গার্ডিয়ানের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে থাকা ছবির সঙ্গেও আলোচিত ভিডিওর দৃশ্যের মিল দেখা যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ১৭ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিস সিটি হলের সামনে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন দমন অভিযানের সমর্থনে ডানপন্থি ইনফ্লুয়েন্সার জেক ল্যাং একটি ছোট বিক্ষোভ আয়োজন করেন।
তবে শতশত পালটা বিক্ষোভকারী সেখানে জড়ো হয়ে তার দলকে তাড়িয়ে দেয়। এ সময় ল্যাং ঘটনাস্থল ছাড়ার সময় মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। মিনিয়াপোলিস সিটি হল যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে অবস্থিত।এছাড়াও প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে ইরানি জনগণ কর্তৃক ইসরায়েলের কোনো পাইলটকে মারধরের দাবির পক্ষে গণমাধ্যম বা বিশ্বস্ত সূত্রে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
শীর্ষনিউজ/