Image description

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হামলায় প্রথমবারের মতো ‘নাসরাল্লাহ’ নামের মাল্টি-ওয়ারহেড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর আওতায় পরিচালিত এই অভিযানে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর ব্যাপক প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৬৫তম ধাপের এই হামলায় নতুন উদ্ভাবিত ‘নাসরাল্লাহ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা কদর সিরিজের উন্নত ও গাইডেড সংস্করণ। তাদের দাবি, এটি অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের বড় জ্বালানি স্থাপনাগুলোর মধ্যে আশদোদ ও হাইফার তেল শোধনাগার। এসব স্থাপনাকে লক্ষ্য করেই আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

আইআরজিসি জানায়, এই অভিযান কেবল ইসরায়েলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তা বিস্তৃত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। সৌদি আরবের আল-খারজ বিমানঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা ও আল-জাফরা ঘাঁটিতে কিয়াম, জুলফিকার ও খাইবার শেকান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সংস্থাটি আরও দাবি করে, এসব ঘাঁটি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর লজিস্টিক সহায়তা, গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং রিফুয়েলিং কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র জানান, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি শত্রুপক্ষ সম্পূর্ণভাবে পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

 

সূত্র: প্রেস টিভি