ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের প্রধান বিমানবন্দর বেনগুরিয়নে থাকা তিনটি বেসামরিক উড়োজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি উড়োজাহাজে আগুন ধরে যায়।
ইসরাইলের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বুধবার জানায়, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলি প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করার পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানায়, গত কয়েক দিনের মধ্যে এই ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত উড়োজাহাজগুলোর মালিকানার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে আকাশপথে দেশটির প্রধান এই প্রবেশদ্বারে সাধারণ বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ইসরাইলি উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো বিদেশে আটকে পড়া নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে কিছু ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বর্তমানে এই বিমানবন্দরটি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও ব্যবহার করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরাইলের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর প্রায় অর্ধেকই ছিল ‘ক্লাস্টার মিউনিশন’ বা গুচ্ছ বোমা। এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে ছোট ছোট অনেক বোমা বিশাল এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, একটি বিমানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আগুন ধরে গেছে এবং অন্যগুলোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইসরাইলের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্র নিশ্চিত করে বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে তিনটি বেসামরিক উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
শীষনিউজ/