Image description

‘যার এলাকায় রাশেদ খাঁন নেই, তারা কি সরকারি চাকরি করার অধিকার রাখে না?’— এমন প্রশ্ন তুলেছেন ২০২৫ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া শিক্ষকরা। একইসঙ্গে রাতের মধ্যে নিয়োগবঞ্চিত করার কারণ সুস্পষ্টভাবে না জানালে রবিবার (১১ অক্টোবর) থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। 

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা সরকারের কাছে জানতে চাই, আমাদের কেন নিয়োগবঞ্চিত করা হয়েছে। আমরা সংখ্যালঘু, আমাদের কথা তো সরকারের কাছে পৌঁছাবে না। তাই আমরা এই সংবাদ সম্মেলনটি করছি। আপনারা (সাংবাদিক) সরকারের কাছে পৌঁছে দেবেন, আশা করি।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যার এলাকায় রাশেদ খান নেই, তারা কি সরকারি চাকরি করার অধিকার রাখে না? আমরা কি এ দেশের নাগরিক না? আমরা এ রাষ্ট্রের নাগরিক। আমাদের কি এতটুকু জানার অধিকার নাই, কেন আমরা বঞ্চিত হলাম?

সংবাদ সম্মেলনে নিয়োগবঞ্চিত আরেক শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আমি উপজেলার মেধাতালিকায় ৯ম হওয়া সত্ত্বেও আমার নিয়োগপত্র আসেনি।

এ সময় নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকরা বলেন, আমাদেরকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটা আমরা সুস্পষ্টভাবে জানতে চাই। এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।

তারা আরও জানান, শনিবার রাতের মধ্যে তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামীকাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।

এর আগে, গত ৪ অক্টোবর নিজস্ব ভিটেবাড়ি না থাকায় নিয়োগপত্র না পাওয়া মিশন আচার্যকে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। মন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে মিশনের পক্ষে ডিও লেটার (আধা সরকারিপত্র) দেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোন করে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করার নির্দেশনা দেন।