Image description

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

 

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতি আহ্বান জানান উপাচার্য। এছাড়া গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেওয়া পৃথক দুটি তহবিল গঠনের উদ্যোগ সফল করতে অ্যালামনাইদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। এ সময় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য-সচিব এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী।

 

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সাবেক শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

তিনি বলেন, গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পৃথক দুটি ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন ও সফল করার ক্ষেত্রে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

 

উপাচার্য আরও বলেন, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বৃহত্তর সমাজের সম্পর্ক ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বৃদ্ধিতেও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সাবেক শিক্ষার্থীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অ্যালামনাইদের ভূমিকা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

আলোচনা পর্ব শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষ হয়।