তৃতীয়ত, সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, যোগ্য নির্মাতা ও গল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনুদান দেওয়া উচিত। তাহলে প্রকৃত মেধাবীরা কাজের সুযোগ পাবেন, দেশের চলচ্চিত্রশিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও স্বচ্ছতা অনেক বেশি দরকার। এ ধরনের আয়োজনে চলচ্চিত্র অঙ্গনের মানুষদের বিচার প্রতিফলিত হওয়া উচিত। বিচারকের দেওয়া নম্বর বদলে পিছিয়ে থাকা কিংবা পছন্দের কাউকে পুরস্কার দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ হোক। এতে যোগ্য ও প্রকৃত শিল্পী বঞ্চিত হয়। যোগ্য ও প্রকৃত শিল্পীকে পুরস্কার না দিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের শিল্প-সংস্কৃতিও। সবশেষে বলব, শিল্প ও সংস্কৃতিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এমন এক মর্যাদায় নেওয়া হোক, যেখানে শিল্পী দল-মত-ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে পারেন। শিল্পীর কণ্ঠস্বর যেন হয় সবার, কোনো দলের নয়; শিল্প যেন হয় ঐক্যের শক্তি, বিভেদের নয়—এই বার্তা সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করি।