সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় নিজের মতামত, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও নানা বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আলোচনায় আসেন মেঘনা আলম। সমসাময়িক বিভিন্ন ঘটনা নিয়েও সরব থাকতে দেখা যায় তাকে। এবার তিনি ইংরেজিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে নিজের ব্যক্তিগত কিছু উপলব্দির কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
তাতে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে মন্তব্য নয়, বরং নিজের ভেতরের হতাশা, অসহায়ত্ব ও মানসিক টানাপোড়েনের কথা তুলে ধরেছেন মেঘনা। এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে নিজেকে এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম মনের মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মেঘনা।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেঘনা আলম। সেখানে তিনি লেখেন, ‘Allah, I am too soft for this world. Help me with your strength. I am probably not made to change this world. Because no matter how much I try, I always fail.’
যার অর্থ দাঁড়ায়, ‘আল্লাহ, আমি এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম মনের মানুষ। আপনার শক্তি দিয়ে আমাকে সাহায্য করুন। সম্ভবত এই পৃথিবী বদলে দেওয়ার জন্য আমার জন্ম হয়নি। কারণ, যতই চেষ্টা করি না কেন, শেষ পর্যন্ত আমি সব সময় ব্যর্থ হই।’
মেঘনার এই কথাগুলোতে ফুটে উঠেছে এক ধরনের হতাশা ও নিজের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আক্ষেপ। পৃথিবীকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন কিংবা নিজের অবস্থান থেকে কিছু করার চেষ্টা থাকলেও বারবার ব্যর্থতার মুখোমুখি হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে কঠিন পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে শক্তি ও সাহায্য চেয়েছেন।
বিশেষ করে ‘আমি এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম’ এবং ‘পৃথিবী বদলানোর জন্য হয়তো আমার জন্ম হয়নি’- তার এই দুটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসটিকে আরও আবেগপূর্ণ করে তুলেছে। নিজের চেষ্টা সত্ত্বেও প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার যে কষ্ট, সেটিই যেন কথাগুলোর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে।
তবে ঠিক কোন ঘটনা, অভিজ্ঞতা কিংবা পরিস্থিতি থেকে এমন উপলব্ধি হয়েছে, তা স্ট্যাটাসে স্পষ্ট করেননি মেঘনা আলম। সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, নাকি দীর্ঘদিনের জমে থাকা ব্যক্তিগত হতাশা থেকে এমন কথা লিখেছেন, সেটিও জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বক্তব্য ও নানা বিষয়ে সরাসরি মতামত প্রকাশের কারণে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন মেঘনা আলম। বিভিন্ন সময় তার মন্তব্য ও পোস্ট ঘিরে তৈরি হয় আলোচনা। এবারও নিজের মনের ভেতরের কিছু অনুভূতি প্রকাশ করে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।