বাংলাদেশের বিনোদন জগতে তারকাদের প্রেম, বিয়ে ও সংসার ভাঙার ঘটনা নতুন নয়। সম্প্রতি সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান ও শেহতাজ মনিরা হাশেমের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর শোবিজের এমন বেশ কিছু আলোচিত বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে শুরু হলেও সব দাম্পত্য জীবন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি অনেক তারকা জুটিরই।
মঞ্চে কাজ করতে গিয়ে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে ১৯৮৪ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন কালজয়ী অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি ও অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, কিন্তু দীর্ঘ ২৪ বছরের দীর্ঘ পথচলার পর ২০০৮ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
এছাড়া ১৯৯৬ সালে বিচ্ছেদ ঘটে আফসানা মিমি ও গাজী রাকায়েতের, ১৯৯৯ সালে বিচ্ছেদ ঘটে শমী কায়সার ও পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা রিঙ্গোর এবং ২০০১ সালে পথ আলাদা হয়ে যায় তারিন ও সোহেল আরমানের।
একইভাবে প্রেম করে বিয়ে করলেও বাধন টিকিয়ে রাখতে পারেননি তাজিন আহমেদ ও এজাজ মুন্না, বিজরী বরকত উল্লাহ ও শওকত আলী ইমন, এবং জেনি ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা অমিতাভ রেজা।
অন্যদিকে, একাধিকবার বিচ্ছেদের মুখোমুখি হয়েছেন অভিনেত্রী অপি করিম; প্রথমে জাপানপ্রবাসী তাসির আহমেদ ও পরবর্তীতে নাট্যনির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের সঙ্গে তার সংসার বিচ্ছেদে গড়ায়।
ভালোবাসার পরিণতিতে বিয়ে হলেও পরবর্তীতে বিচ্ছেদে থামে অপূর্ব ও প্রভা, হিল্লোল ও তিন্নি, রুমানা ও আনজাম মাসুদ, এবং নাদিয়া ও শিমুলের সংসার।
একইভাবে সংগীতাঙ্গনের তারকাদের মধ্যেও হৃদয় খান ও সুজানা, রকস্টার জেমস ও রথি, এবং রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনীর বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনাও শোবিজে কম আলোচনার জন্ম দেয়নি।
তারকাদের এসব বিচ্ছেদ প্রমাণ করে, সম্পর্কের শুরুটা ভালোবাসার হলেও সবার পরিণতি এক হয় না। কেউ আজীবন একসঙ্গে থেকে যান, আবার কারো পথ আলাদা হয়ে যায় সময়ের নিয়মে।