Image description

আয়ুষ্মান খুরানার বিপরীতে ‘ভিকি ডোনর’ দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের। প্রথম ছবিই পেয়েছিল সাফল্য। তবে সেই সাফল্যের পরও হিন্দি সিনেমায় নিজের জায়গা তৈরি করতে দীর্ঘ লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকে। একসময় পর্যাপ্ত ভালো কাজের সুযোগ না পাওয়ায় অভিনয় ছেড়ে নিজের রাজ্য হিমাচল প্রদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ ও ‘বালা’ তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। অথচ এই দুই ছবির আগে তিনি প্রায় মনস্থির করেই ফেলেছিলেন বলিউডকে বিদায় জানানোর।

ইয়ামি বলেন, ‘ভিকি ডোনর’ সফল হলেও আমাকে প্রচলিত অর্থে নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেওয়া হয়নি।’ একপর্যায়ে ইয়ামি মনে করেছিলেন, এই ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর জন্য হয়তো জায়গা নেই।

তাঁর ভাষ্যে, ‘আমি ‘উরি’ আর ‘বালা’র আগে ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম হিমাচলে ফিরে যাব। আমাদের সেখানে চাষের জমি রয়েছে। সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করছিলাম। আমার বাবা-মাও আমাকে সমর্থন করেছিলেন।

তারা শুধু বলেছিলেন, ‘বাড়ি ফিরে এসো।’ কিন্তু মজার বিষয় হলো, যখন আমি ভয় থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে আঁকড়ে থাকার চেষ্টা ছেড়ে দিলাম, তখনই সবকিছু বদলে গেল। ‘উরি’ এল, ‘বালা’ এল, আর রাতারাতি আমার জীবন পাল্টে গেল।’

বলিউডে একজন বহিরাগত হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন ইয়ামি। তাঁর মতে, তারকাসন্তানদের ব্যর্থতার পরও নতুন সুযোগ দেওয়া হয়, কিন্তু ইন্ডাস্ট্রির বাইরের কারও জন্য একটি সুযোগ পাওয়াই কঠিন হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, ‘বলিউডে বহিরাগত হওয়াটাই শুধু চ্যালেঞ্জ নয়, প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রমাণ করাটাও বড় লড়াই। অনেক সময় মনে হয়েছে, আমি যে সুযোগের জন্য প্রস্তুত, সেটি বারবার এমন কাউকে দেওয়া হচ্ছে, যে আগে থেকেই এই ইন্ডাস্ট্রির অংশ। তখন ভাবতাম, আমাকেও যদি একই রকম সুযোগ দেওয়া হতো, তাহলে হয়তো আরও ভালো অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে পারতাম। এই বিষয়গুলো অনেক হতাশা তৈরি করত।’