আমেরিকান অ্যাডভেঞ্চারধর্মী ফ্র্যাঞ্চাইজ ‘দ্য মমি’র নতুন সংস্করণ আসছে। তবে নতুন ‘মমি’ অনেক বেশি ভৌতিক। ‘দ্য মমি’ নামের নতুন ছবিটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশে স্টার সিনেপ্লেক্সের সব শাখায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল)।
অতিপ্রাকৃত ভৌতিক ধাঁচের বডি-হরর চলচ্চিত্র ‘দ্য মমি’তে অত্যন্ত ভীতিজনক ও নৃশংস দৃশ্য রয়েছে। এর গল্প এক সাংবাদিক বাবা ও তার পরিবারকে কেন্দ্র করে। একসময় সুখী পরিবার ছিল তারা। একদিন তাদের ছোট্ট মেয়েটি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায় না। এ ঘটনায় পুরো পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। ৮ বছর পর হঠাৎ একদিন মেয়েটিকে মরুভূমির এক এলাকায় পাওয়া যায়। সে বেঁচে থাকলেও আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো, তার বয়স বাড়েনি! কোথাও ছিল সে যেন সময়ের বাইরে।
পরিবার তাকে ফিরে পেয়ে খুশি হলেও কিছু অদ্ভুত বিষয় চোখে পড়ে। মেয়েটি বাড়ি ফেরার পর তার আচরণ অচেনা হয়ে যায়। সে অদ্ভুতভাবে কথা বলে। রাতে তার শরীরে ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন শুরু হয়। তখন মনে হতে থাকে, সে পুরোপুরি মানুষ না। পরিবার ও একজন তদন্তকারী বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। তারা বুঝতে পারে, মেয়েটি কোনোভাবে প্রাচীন এক শক্তির সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। এটি এক ধরনের রূপান্তরমূলক অভিশাপ।
গল্প এগোতে থাকলে মেয়েটির শরীর ধীরে ধীরে মমি’র মতো হয়ে যায়। সে অস্বাভাবিক ক্ষমতা দেখাতে শুরু করে। তার উপস্থিতি ঘরে ভয়ংকর প্রভাব ফেলে। পরিবার বুঝতে পারে তারা যাকে ফিরে পেয়েছে, সে তাদের মেয়ে নয়, অন্য কিছু। এখানেই গল্পটা সবচেয়ে গভীর হয়। মা বিশ্বাস করতে চায় না যে, মেয়েটি বদলে গেছে। বাবা বাস্তবতা মেনে নিতে শুরু করে। পরিবারে ভাঙন শুরু হয়। ভয় আর ভালোবাসা একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়। রহস্য বদলে গিয়ে ভয়ংকর রূপ নেয়। মেয়েটির রুপান্তর প্রায় সম্পূর্ণ হয়। তখন নিতে হয় পরিবারকে কঠিন সিদ্ধান্ত।
লি ক্রোনিন পরিচালিত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন জ্যাক রেনর, লাইয়া কস্তা, মে ক্যালামাউই, নাটালি গ্রেস, ভেরোনিকা ফ্যালকন। মুক্তির আগেই নতুন ‘মমি’ নিয়ে দর্শক ও সমালোচকেরা কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন। বোদ্ধাদের মতে, এটি ২০২৬ সালের সবচেয়ে ভয়ংকর ছবিগুলোর একটি।