Image description

ঈদুল ফিতরের চতুর্থ দিন আজ। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সবার মাঝেই দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন আমেজ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে অনেকেই গিয়েছেন দেশের বাড়ি। পাশাপাশি এই ছুটিতে বাড়তি আনন্দ যোগ করতে টিভি চ্যানেল, ওটিটি, ইউটিউবে আসছে অনেক নতুন নাটক, ওয়েবফিল্ম থেকে শুরু করে নানা ধরনের কনটেন্ট। পাশাপাশি একটু সবার থেকে ভিন্ন করে সাজিয়েছেন নিজেদের। সবকিছু মিলিয়ে পিছিয়ে নেই শোবিজ তারকারাও। ঈদ নিয়ে এশিয়া পোস্টের সঙ্গে কথা হলো বড় পর্দার অভিনেতা জায়েদ খানের সঙ্গে।

 

গত কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়ক জায়েদ খান। এরই মধ্যে কয়েকটি ঈদ সেখানে পালন করেছেন। ঈদুল ফিতরও সেখানেই কাটছে তার।

 

 

ছোটবেলার ঈদের প্রসঙ্গ টেনে জায়েদ খান বলেন, ছোটবেলা আর বড় বেলার ঈদে অনেক পার্থক্য। পিরোজপুরে আমার বেড়ে ওঠা। সব ভাইবোনের ছোট ছিলাম। তখন সালামি নিতাম, এর এখন সবাইকে দিতে হয়। এখন একটা পর একটা ড্রেস চেঞ্জ করে বের হতে পারি না। তখন সাইকেল ভাড়া করে পুরো এলাকা ঘুরতাম, সিনেমা দেখতে যেতাম। আমি মফস্বলের ছেলে। সেখানকার মতো ঈদের আনন্দ কোথাও নেই।

 

বাবা-মাকে ছাড়া জীবন নিরানন্দময় উল্লেখ করে জায়েদ খান

 
 

 

 

বলেন, তিন ভাই-বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট। তাই তারা আমার জন্য সালামি আলাদা করে রাখতেন। আমাকে নিয়ে বাড়ির সবাই মেতে থাকতেন। এখন বাবা-মা নেই, তাই কোনো ঈদ আর ঈদ মনে হয় না। ঈদ এখন নিরানন্দ লাগে। বাবা-মা ছাড়া বেঁচে থাকা যেন শুধু বেঁচে থাকার জন্যই।

 

 

দূরপ্রবাসে পরিবারকে খুব মিস করেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, জীবন যেখানে যেমন। তবু পরিস্থিতি মানিয়ে নিয়ে জীবনযাপন করছি। গত দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে আছি। এখানে বন্ধু-পরিচিতদের সঙ্গে ঈদ করি। কিন্তু বাংলাদেশকে খুব মিস করি। আমার পরিবার, বাবা-মায়ের কবর, সহকর্মীদের ভীষণ মনে পড়ে। প্রিয় এফডিসিকে মিস করি। এখানে যেন শুধু বেঁচে থাকার জন্য থাকা। জীবন যেখানে যেমন, সেটাকে মেনে নিয়েই চলতে হয়। আল্লাহ ভালো রেখেছেন।

 

ঈদ নিয়ে অনেক স্মরণীয় ঘটনা আছে। তখন আমার এলাকায় বন্ধুরা মিলে খাবারের দোকান দিতাম। বিকেলে যারা ঘুরতে বের হতো তাদের খাবার ধরিয়ে টাকা নিয়ে সেটি দিয়ে সিনেমা দেখতে যেতাম। সাইকেল ভাড়া করে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে যেতাম।