Image description

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামীক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট-এর আর্থিক অবস্থার অবনতি অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ ২০২৬) কোম্পানিটির লোকসান আগের বছরের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের ব্যবসায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইসলামীক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.৯৩ টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ০.৬২ টাকা। এতে করে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে ০.৩১ টাকা, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ৫০ শতাংশ।

এদিকে, গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে মাত্র ১.৪৬ টাকা, যা আর্থিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ব্যবসায় শেয়ারপ্রতি মুনাফা ০.৩৯ টাকা হলেও সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামীক ফাইন্যান্সের পর্ষদ। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২.৩৮ টাকা।

কোম্পানিটির ‘নো ডিভিডেন্ড’সহ অন্যান্য আলোচ্য বিষয় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। এজিএমে অংশগ্রহণের জন্য শেয়ারহোল্ডার নির্ধারণে ৯ আগস্ট রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, লোকসান বৃদ্ধি ও লভ্যাংশ না দেওয়ার ঘোষণায় ইসলামীক ফাইন্যান্সের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।