Image description

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে ১২ বছর অপেক্ষার পর তৃতীয় জয়ের দেখা পেলো নেপাল। স্কটল্যান্ডকে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করেছে তারা । 

অথচ ইংল্যান্ডের মতো দলকে হারানোর মতো কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিচ্ছে নেপাল। তবে শেষটা জয়ে রাঙানোয় সান্ত্বনা কাজ করছে। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রোমাঞ্চকর লড়াই উপহার দিয়েছে তারা। ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য তাড়া করেছে ১৯.২ ওভারে।  ২০১৪ সালের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি নেপালের প্রথম জয়। নেপালের জয়ের নায়ক দীপেন্দ্র সিং এইরি। মাত্র ২৩ বলে অপরাজিত ফিফটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। 

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রিচি বেরিংটনের দল শুরুটা ভালোই করেছিল। মাইকেল জোন্সের ঝড়ো ৭১ রানে ভর করে স্কটল্যান্ড একসময় লড়াকু সংগ্রহের পথেই ছিল তারা। কিন্তু ১ উইকেটে ১৩২ রান থেকে হঠাৎ ধস নামে ইনিংসে। ১৬২ রানে হারিয়ে ফেলে ৭ উইকেট। শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে ৭ উইকেটে ১৭০ রান। জোন্সের ৪৫ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছয়। 

নেপালের হয়ে সোমপাল কামি ২৫ রানে নেন ৩ উইকেট। ৩৪ রানে দুটি নেন নন্দন যাদব। 

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং উইকেটে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তার পর চার বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নেপাল। ওপেনিংয়ে ৭৪ রানের জুটি গড়েন কুশল ভুর্টেল ও আসিফ শেখ। ৩৫ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় ব্যক্তিগত ৪৩ রানে ভুর্টেল ফিরলে ভাঙে জুটি। আসিফ শেখও (৩৩) বিদায় নেন দ্রুত সময়ে। রোহিত পাউডেল ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি। তার পর চাপে পড়লেও চতুর্থ উইকেটে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন এইরি। ২৩ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। গুলশান ঝার (২৪*) সঙ্গে মিলে যোগ করেন ৩৬ বলে ৭৩* রান।    

স্কটল্যান্ডের হয়ে ৩০ রানে ৩টি উইকেট নেন মাইকেল লিস্ক।

নেপালের গ্রুপ ‘সি’ থেকে ইতোমধ্যেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সুপার এইট নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বদলে সুযোগ পাওয়া স্কটল্যান্ড চার ম্যাচে একটি জয় নিয়েই আসর শেষ করেছে।