গত এক মাসে দেশের ক্রিকেটে যেন রোলার কোস্টারের মতো পরিস্থিতি চলছে। মাঠে বিপিএল চললেও মাঠের বাইরে ঘটেছে একের পর এক বিতর্ক। একপর্যায়ে ক্রিকেটাররা বিপিএলের একদিন ম্যাচ বয়কটও করেন।
এই সময় বোর্ড পরিচালকদের ঘিরেও তৈরি হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। তামিম ইকবালকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় শোকজ পান পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। ফাইনালের আগে পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে আসে।
পাশাপাশি বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেন আরেক পরিচালক ইশতিয়াক সাদেক। সব মিলিয়ে দেশের ক্রিকেটে সৃষ্টি হয় অস্থিরতা। এসব বিষয়ে ২৪ জানুয়ারি বোর্ড সভা শেষে গণমাধ্যমকে ব্যাখ্যা দেয় বিসিবি।
এ নিয়ে বোর্ড পরিচালক আমজাদ হোসেন বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলামের জবাব ডিসিপ্লিনারি কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে, যেটা সন্তোষজনক ছিল। আরেক পরিচালকের (মোখলেসুর) ব্যাপারটা সামনে আসার পর উনি অডিট কমিটি থেকে সরে গেছেন। উনি বলেছেন, উনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। এই ব্যাপারটি অ্যালেক্স মার্শালের কাছে পাঠানো হয়েছে।’
মাঠে খেলা রাখার ব্যাপারে আমজাদ বলেন, ‘আমাদের বোর্ড শুরু হওয়ার পর এনসিএল হয়ে গেছে লম্বা ফরম্যাটের। বিসিএল এনসিএলের পরে হয়, ঢাকা লিগেরটা বেশ কিছু দল তারা বলেছে এখানে অংশ নেব না। তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েছি আমরা। সিসিডিএম টুর্নামেন্ট আমরা চালাচ্ছি ৮ দল নিয়ে।’
সাদেকের পদত্যাগে আরেক পরিচালক আসিফ আকবর বলেন, ‘ইশতিয়াক সাহেবের বাবা অনেক দিন ধরে অসুস্থ। উনাকে অনেক দিন ধরে দেখা যায় না, উনি মিটিংয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। সর্বশেষ দেখেছি নিলামের দিন। মাঝে অনেক দিন ধরেই উনি অনুপস্থিত। আজকে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে উনি পদত্যাগ করেছেন।’