পাঁচ দিনের টেস্ট দুই দিনে শেষ। বাকি তিন কি হবে? ক্রিকেটাররাই বা কি করবেন! একরকম ঠাট্টা করেই জানতে চাওয়া হয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্তর কাছে। বাংলাদেশ অধিনায়কও হাসিমাখা মুখে জানিয়ে দিলেন, বাকি তিনদিন ঘুমাবেন!
ডারউইন টেস্টে জয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বেশ বাজে হার হজম করেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতার এই হারে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে তাদের সেরা পেসারদের ভয়ঙ্কর রূপ দেখেছেন বাংলাদেশ ব্যাটাররা। হাসি ঠাট্টার সঙ্গে নিজেদের শেখার দিকগুলো সামনে এনেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মতো এমন কঠিন কন্ডিশনে নিয়মিত খেলা হলে ভুল কমে আসবে, ‘অনেক কিছুই শিখেছি (এই সিরিজ থেকে)। পেস এন্ড বাউন্স অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। এই অভিজ্ঞতা কাজে দিবে অবশ্যই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপে এই অভিজ্ঞতা কাজে দেবে। এখানে আমরা ২৩ বছর পরে এসেছি। এমন কন্ডিশনে এই বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে এত বছর পর খেলা সহজ নয়। যদি আমরা নিয়মিত আসতে পারতাম তাহলে প্লেয়াররা মানিয়ে নিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারত। আমরা চাই এমন কন্ডিশনে নিয়মিত খেলতে, ২৩ বছর বা ২৫ বছর পর পর নয়।”
ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিন দুই দলের ১৮ উইকেট পড়েছে। এই রকম হুড়মুড়িয়ে উইকেট পড়া এশিয়ান কন্ডিশনে স্পিন নির্ভর উইকেটেই বেশি দেখা যায়। সেই উদাহরণ টেনে নিজেদের বোলিংয়ের সাফল্য সামনে এনেছেন নাজমুল। জানিয়েছেন এশিয়ায় একদিনে ১৮ উইকেট পড়া মনে রাখলে ম্যাকাই টেস্টও যেনো মনে রাখে সবাই।
একদিনে এত উইকেট পড়ার প্রশ্ন সামনে আসায় খুশি নাজমুল জানিয়েছেন, ‘ধন্যবাদ প্রশ্নটা করার জন্য। আমরা যখন উপমহাদেশে খেলি এক দিনে ১৮-১৯ উইকেট পড়লে সবাই অনেক কথা বলে। এই ম্যাচে প্রথম দিনে ১৮ উইকেট পড়েছিল। শুধু যদি এমন হইত আমাদের পড়েছে ওদের পড়ে নাই, এটা হলেও বুঝতাম। আমাদের বোলাররা যেভাবে বল করেছে দেখলেই বুঝবেন ওরা (অস্ট্রেলিয়া) কতটা কঠিন সময় পার করেছে। একটা জিনিস বলতে চাই, যখন আমরা উপমহাদেশে খেলব তখন যেন এই জিনিসগুলো আমরা ভুলে না যাই।’