Image description

হারারে স্পোর্টস ক্লাব। এই মাঠ তার কাছে পয়া। এখানেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দেশকে জিতিয়েছিলেন বৈভব সূর্যবংশী। এ মাঠেই সিনিয়র দলে তার রানখরা কেটেছিল প্রথম টি-টোয়েন্টিতে। নজির গড়ে বিধ্বংসী হাফসেঞ্চুরির সেই ইনিংস খেলার পর আবারও ঝড় উঠল বাঁহাতি তারকার ব্যাটে। আজ তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে সূর্যবংশীর ব্যাটিং ঝড়েই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ১৯২ রান তোলে শ্রেয়াস আইয়ারের টিম ইন্ডিয়া।

এই ম্যাচে দুর্দান্ত এক হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বৈভব। শুধু তাই নয়? শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৮১ রানে আউট হন তিনি। ৮ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় সাজানো ইনিংস খেলে নতুন এক রেকর্ডও গড়েছেন এই বিস্ময় বালক। পূর্ণ সদস্য দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ১৬ বছর হওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুটি হাফসেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটার এখন বৈভব। আর সব দেশ মিলিয়ে এই কীর্তি আগে ছিল শুধু নেপালের কুশল মল্লর। এখন সেই তালিকায় যোগ হলো বৈভবের নাম।

টানা দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই নিজেদের দখলে নিয়েছিল ভারত। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ছিল কার্যত নিয়মরক্ষার। সেই ম্যাচে টস জিতে প্রথম ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক। এদিন প্রিন্স যাদবের বদলি হিসেবে সুযোগ পান অশোক শর্মা। শিভাম দুবের জায়গায় এলেন সূর্যাংশ শেগড়ে। তবে আজও রানখরা কাটাতে পারলেন না অভিষেক শর্মা। ফিরলেন মাত্র ১ রানে। ব্লেসিং মুজারাবানি সামনে এলেই যেন পা কাঁপে তার। তিন ম্যাচে প্রতিবারই তার বলেই সাজঘরে ফিরলেন অভিষেক। তিন ইনিংস মিলিয়ে তার রানের যোগফল ২+৮+১ = ১১।

 
 
 

অভিষেক ফিরলেও ভারতের রানের গতি কমেনি। বৈভব ও ঈশান কিষান মিলে প্রতিপক্ষের বোলারদের তুলাধুনা করেন। ১৫ বছরের বিস্ময় বালক বৈভব এদিন প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্বাগত জানান সিকান্দার রাজাকে। প্রথম ওভারেই উঠল ১৭। আর পাওয়ার প্লে-তে ১ উইকেটে ৬৪। তবে এই পিচের চরিত্র কিছুটা মন্থর। তাই রান তোলা সহজ ছিল না। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে যেখানে হাফসেঞ্চুরি করতে মাত্র ১৮ লেগেছিল, সেখানে এদিন লাগল তার ৩১ বল। সেই সময় তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার, ২টি ছক্কা।

 
 

শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৮১ রানে সাজঘরে ফিরে যান বৈভব। অন্যদিকে, ঈশান ও শ্রেয়াস সেট হয়ে আউট হয়ে যান। তাদের সংগ্রহ যথাক্রমে ২৯ ও ২৭। শেষের দিকে ১৪ বলের ২৫ রানের ক্যামিও খেললেন রিঙ্কু সিং। ১১ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক ভার্মা।

 
কালবেলা/