৬৭ মিনিটে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচের চিত্রই বদলে দেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
মিশরের বিপক্ষে প্রথমে ব্যবধান কমান ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন তিনি। ডান দিক থেকে লিওনেল মেসির দুর্দান্ত ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে পাঠান এই ডিফেন্ডার। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর বাঁ হাত বাড়িয়ে বল ঠেকানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত রুখতে পারেননি। পোস্টের ভেতরের দিক ঘেঁষে বল জালে ঢুকে যায়। অফসাইডের দাবি তুলেছিলেন মিশরের ডিফেন্ডাররা, কিন্তু রেফারি তা গ্রহণ করেননি।
৭৯ মিনিটে গোল করে ম্যাচে ফেরার বার্তা দেয় আর্জেন্টিনা।
এরপর ৮৪ মিনিটে আবারও মেসির জাদু। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী শট মিশরের গোলরক্ষক শোবেইরের গায়ে লেগেও থামানো যায়নি। বল ক্রসবারের নিচের অংশে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। এই গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। চলতি বিশ্বকাপে এটি মেসির অষ্টম গোল, আর টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়লেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচে পুরোপুরি ফিরে আসে আলবিসেলেস্তেরা।
নাটক তখনও বাকি ছিল। যোগ করা সময়ের ৯২তম মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের অ্যাসিস্ট থেকে এনজো ফার্নান্দেজ দুর্দান্ত হেডে তৃতীয় গোল করেন। দুই গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা অবিশ্বাস্যভাবে এগিয়ে যায় ৩-২ ব্যবধানে।
মেসির নেতৃত্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এই প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপের অন্যতম রোমাঞ্চকর মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।