প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের কাছে ২৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। মাত্র ১৪২ রান তাড়া করতে নেমে ৩৩ দশমিক ১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানির তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই তানজিদ হাসান তামিম ব্যক্তিগত ৮ রানে আউট হন। এরপর চতুর্থ ওভারে মুজারাবানির দ্বিতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (৩)। পঞ্চম ওভারে সৌম্য সরকার ৬ রানে রিচার্ড এনগারাভার বলে আউট হলে মাত্র ১৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ।
এরপর তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। চতুর্থ উইকেটে এই দুজনের ৮৮ বলে ৪৯ রানের জুটিতে ভর করে বাংলাদেশ দলীয় রান পঞ্চাশ পার করে। তবে ১৯তম ওভারে দলীয় ৭০ রানের মাথায় হৃদয় আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলে ভেঙে যায় এই জুটি।
হৃদয় বিদায় নেওয়ার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। মোসাদ্দেক হোসেন দলীয় ৭৪ রানের মাথায় ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও দলের হাল ধরতে ব্যর্থ হয়ে আউট হলে হারের শঙ্কা আরও বাড়ে। শেষ ভরসা হিসেবে থাকা নুরুল হাসান সোহান ৪৪ বলে ৩১ রান করে আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৩৩ দশমিক ১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নাহিদ রানার বিধ্বংসী পেস বোলিংয়ের মুখে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। রানা তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের মাত্র ১৪তম ম্যাচে ২১ রান খরচ করে একাই ৬টি উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়েকে ধসিয়ে দেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ১৪১/১০ (৩৩.৪ ওভার) (নিয়ামহুরি ৩৩, এনগারাভা ২৭; নাহিদ রানা ৬/২১, তাসকিন ২/৩২)
বাংলাদেশ: ১১৬/১০ (নুরুল ৩১, হৃদয় ২৫; ইভান্স ৩/৩৪)