বাস্তবতা হলো নির্মম এক আয়না। এটি কারো ইচ্ছেমতো চলে না।
তাই গতকাল মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর বুকে শোকের পাথর চেপে বাংলাদেশ দলের সঙ্গেই গোয়াতে থেকে গেলেন শিউলি।
শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ ২-১ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের ফাইনালে ওঠেছেন মারিয়া মান্দা-ঋতুপর্ণা চাকমারা।
এমন আনন্দের মুহূর্তে শিউলির মাকে ভুলে যাননি বাংলাদেশের ফুটবলাররা। তাই তো ম্যাচ শেষে সতীর্থর মাকে জয় উৎসর্গ করেছেন ঋতুপর্ণা-আফঈদা খন্দকাররা। অলিম্পিক গোল ও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা হওয়া ঋতুপর্ণা ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘এই ম্যাচটি আমরা আমাদের টিমমেট শিউলি দিদির মাকে উৎসর্গ করেছি।
সেমিফাইনালের শুরুতেই অবশ্য পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। ২২ মিনিটে কর্নার থেকে এগিয়ে যায় নেপাল। বিরতিতে যাওয়ার আগে অলিম্পিক গোলে (কর্নার কিক থেকে সরাসরি গোল) দলকে সমতায় ফেরান ঋতুপর্ণা। পরে যোগ করা সময়ে মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে বিজয়োল্লাস করে বাংলাদেশ।