Image description

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত হলেও শেষ পর্যন্ত বোর্ডে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী বিভাগের কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। পারিবারিক ও ব্যাবসায়িক ব্যস্ততার কারণে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

 

মীর সীমান্তর বাবা মীর শাহে আলম ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী। মীর শাহে আলম নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও লিমিটেড কম্পানির শেয়ারসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন তার ছেলে সীমান্ত।

বর্তমানে একাধিক ফিলিং স্টেশন, অটো রাইস মিল, পুষ্টি চালের কার্নেল ফ্যাক্টরি, আয়োডিন ফ্যাক্টরি, পুষ্টি মিশ্রণ ফ্যাক্টরি, মিনি কোল্ড স্টোরেজ, কৃষি খামার, প্রাণী খামার, ফ্লাওয়ার মিলসহ আরো কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি তদারকি করছেন সীমান্ত।

এ ব্যাপারে সীমান্ত বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় পরিসরের দায়িত্বের জায়গা।

অন্যদিকে পারিবারিক ব্যবসাগুলোর পূর্ণ দায়িত্ব বর্তমানে আমার ওপর রয়েছে। সবকিছু একসঙ্গে সমন্বয় করে ক্রিকেট বোর্ডে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়বে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় বোর্ডে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

 

তবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সীমান্ত, ‘একজন ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী হিসেবে ক্রিকেটসহ সব খেলার উন্নয়ন ও বিকাশে  সবসময় পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা করে যাব।

 

PHOTO
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে মীর সীমান্ত। ছবি: ফেসবুক

সীমান্ত আরো জানিয়েছেন, বোর্ডে আসতে না চাওয়ার সিদ্ধান্ত শিগগিরই বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালকে কাছে লিখিতভাবে জানাবেন।

ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তরুণ সংগঠক হিসেবে সীমান্তর বিসিবিতে আসা নিয়ে রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। তবে পারিবারিক ও ব্যাবসায়িক ব্যস্ততা বিবেচনায় তার এ সিদ্ধান্তকে অনেকে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন।