চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের পর নিউজিল্যান্ড ব্যাটার ডেন ক্লিভার স্বীকার করেছেন, শুরুটা যেমন হয়েছিল, তাতে তাদের ২০০ রানের কাছাকাছি যাওয়া উচিত ছিল। ২৮ বলে ৫১ রান করা ক্লিভারের মতে, ভালো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেও শেষদিকে প্রত্যাশিত রান তুলতে পারেনি কিউইরা।
প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান করে। জবাবে বাংলাদেশ ১৮ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৩ রান তুলে ৬ উইকেটের জয় পায়। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
ক্লিভার বলেন, ‘শুরু এবং যে প্ল্যাটফর্ম আমরা তৈরি করেছিলাম, সেটা বিবেচনায় আমরা ২০০ রান আশা করেছিলাম। তবে এই কন্ডিশনে বল পুরোনো হলে ব্যাটিং কঠিন হয়ে যায়, ওয়ানডেতেও আমরা সেটা দেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেষ দিকে বাংলাদেশের বোলাররাও ভালো করেছে আমাদের আটকে রাখতে। তবে আমরা সবসময় আরও কিছু রান করতে চাই।’
টার্গেট নিয়ে ক্লিভার জানান, তারা খুব বেশি দূরের হিসাব করছিলেন না; বরং ওভার ও ম্যাচআপ অনুযায়ী খেলছিলেন।
তার ভাষায়, ‘আমরা খুব বেশি দূরে তাকাচ্ছিলাম না। প্রতিটি ওভার ও ম্যাচআপ অনুযায়ী খেলছিলাম। আউট হওয়ার পর আলোচনা হয়েছিল, ১৮০ হয়তো পার স্কোর, তবে ভালো উইকেট হওয়ায় ২০০ পর্যন্ত যেতে চাইতাম।’
বাংলাদেশের রান তাড়া নিয়েও প্রশংসা করেন ক্লিভার। তার মতে, শুরুতে নিউজিল্যান্ড চাপ তৈরি করলেও নিয়মিত উইকেট নিতে না পারাটাই বড় পার্থক্য হয়ে দাঁড়ায়।
ক্লিভার বলেন, ‘আমরা শুরুটা ভালো করেছিলাম, লাইন-লেংথ ধরে রেখেছিলাম এবং বাংলাদেশি ব্যাটারদের ওপর চাপ দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা চাপটা ভালোভাবে সামলেছে। রানরেট আমাদের পক্ষে ছিল, কিন্তু আমরা নিয়মিত উইকেট নিতে পারিনি।’
শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয় ও শামীম হোসেনের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে ক্লিভার বলেন, ‘শেষ দিকে ওই দুই ব্যাটার অনেক ক্লাস দেখিয়েছে। তারা ৩৬০ ডিগ্রিতে খেলেছে, পেস ব্যবহার করেছে এবং প্রয়োজনের সময় ছক্কা মেরেছে। খুব ভালো ব্যাটিং ছিল।’
শামীমের কিছু শট আলাদা করে নজর কেড়েছে ক্লিভারের। তিনি বলেন, ‘শেষ দিকে হাসান (শামীম পাটোয়ারী) যেভাবে বাতাস পেছনে রেখে মারছিল, সেটা বেশ ইমপ্রেসিভ ছিল। কয়েকটি শট ছিল অবিশ্বাস্য।’
হারলেও বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখছেন না ক্লিভার। তার মতে, নিউজিল্যান্ড ভালো কিছু করেছে, তবে কিছু জায়গায় উন্নতি দরকার।