Image description

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট প্রশ্নে নিজেদের অবস্থানের পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি। জানিয়েছেন, পাকিস্তানের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের জন্য কিছুটা ‘সম্মান’ আদায়। 

গত ১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ঘোষণা দেয়, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না পাকিস্তান। তবে গতসোমবার গভীর রাতে পিসিবি, বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে কয়েক দিনের আলোচনা ও দরকষাকষির পর একের পর এক বিবৃতির মধ্য দিয়ে পাকিস্তান সরকার সেই বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়।

এদিকে, আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশকেও কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্বও বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে।

বয়কটের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর মঙ্গলবার পেশোয়ারে সাংবাদিকদের নাকভি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ছাড়া আমাদের আলোচনায় আর কোনও শর্ত ছিল না। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের জন্য কিছু সম্মান আদায় করে নেওয়া এবং তাদের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের প্রতিকার।’

নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ সরকার ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার অনুমতি না দেওয়ায় আইসিসি বোর্ডের ভোটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশ দল। তাদের জায়গায় খেলতে সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। আইপিএল থেকে বিসিসিআই মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর থেকেই এর সূত্রপাত। ওই ভোটের পর আইসিসির সিদ্ধান্তকে ‘দ্বৈত মানদণ্ড’ বলে সমালোচনা করেছিলেন নাকভি।

নাকভির দাবি, সেই অন্যায়ের প্রতিকার হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আর এটাই একমাত্র কারণ। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ যা চেয়েছিল, সবই মেনে নেওয়া হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। তারা যা খুশি বলতে পারে, কিন্তু আমাদের কাজ ছিল পুরোপুরি বাংলাদেশ কেন্দ্রীক। সরকারও সেই কারণেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আর যখন তাদের দাবিগুলো মানা হয়েছে এবং স্বীকার করা হয়েছে যে, তাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে, তখনই আমরা আবার খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’