Image description

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে সাধারণত তরুণদের ফরম্যাট হিসেবে ধরা হলেও, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতার ওপর বড় ভরসা রাখছে অনেক দল। টুর্নামেন্টের দশম আসরে তরুণ তারকাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন প্রবীণ ক্রিকেটারও নিজেদের শেষ কথা বলতে প্রস্তুত।

বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ভূমিকা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আগের আসরগুলোতেই প্রমাণিত হয়েছে। সে কারণেই বিভিন্ন দল স্কোয়াডে রেখেছে দক্ষতায় অটুট এমন ক্রিকেটারদের।

 

নিচে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া সবচেয়ে বয়স্ক পাঁচ ক্রিকেটারের তালিকা তুলে ধরা হলো—

পঞ্চম স্থানে আছেন জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার ব্রেন্ডন টেলর। দুর্নীতিবিরোধী নিষেধাজ্ঞা শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর আবারও বড় মঞ্চে খেলতে যাচ্ছেন তিনি। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগের দিন তার বয়স হবে ৪০। টি-টোয়েন্টিতে তার রয়েছে ৫৮ ম্যাচে ১১৮৫ রান, যার মধ্যে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি ও ছয়টি হাফ-সেঞ্চুরি।

চতুর্থ স্থানে রয়েছেন আফগানিস্তানের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবি। আফগানিস্তানের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল থেকেই নিয়মিত খেলা এই তারকা চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ৪১ বছরে পা দিয়েছেন। ১৪৭ টি-টোয়েন্টিতে ২৪৩০ রান ও ১০৪ উইকেট নিয়ে আফগান দলের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত তিনি।

তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নেদারল্যান্ডসের রুলফ ফন ডার মার্ভে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস—দুটি দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা এই অলরাউন্ডার ৪১ বছর বয়সেও দারুণ ফিটনেস ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে দলকে ভরসা জোগাচ্ছেন। টি-টোয়েন্টিতে তার সংগ্রহ ৭৪ উইকেট, যা তাকে দলের অন্যতম প্রধান বোলিং অস্ত্র হিসেবে গড়ে তুলেছে।

 

দ্বিতীয় স্থানে আছেন ইতালির অধিনায়ক ওয়েন ম্যাডসেন। ৪২ বছর বয়সী এই ব্যাটার খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেললেও তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ ইতালির জন্য বড় সম্পদ। সাম্প্রতিক সিরিজে তার ব্যাটিং পারফরম্যান্স ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছে।

 

সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ওমানের মোহাম্মদ নাদিম। ৪৩ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার ওমান দলের অন্যতম অভিজ্ঞ মুখ। ব্যাট ও বল হাতে সমান অবদান রেখে দীর্ঘদিন ধরে ওমান ক্রিকেটকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি।