Image description
 

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো আর্থিক ক্ষতি হবে না বলে জানিয়েছেন বিসিবির ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম। বুধবার বিসিবির এক অনুষ্ঠানের পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা জানান।

নাজমুল বলেন, আইসিসির ২০২৪–২০২৭ চক্রের রাজস্ব বণ্টন নীতিতে বিসিবির যে অংশ নির্ধারিত রয়েছে, বিশ্বকাপে খেলুক বা না খেলুক, সেটি বোর্ড পাবে। এই চক্রে আইসিসি থেকে বিসিবির প্রাপ্য মোট রাজস্ব ২৬.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলে বোর্ডের আর্থিক ক্ষতির কোনো প্রশ্ন নেই

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ক্ষতির মুখে পড়বেন ক্রিকেটাররাই। কারণ বিশ্বকাপে খেলতে না পারলে তারা ম্যাচ ফি, প্রাইজমানি, ম্যাচসেরা বা বিশেষ পারফরম্যান্সের জন্য প্রাপ্য অর্থ পাবেন না। এসব অর্থ সরাসরি খেলোয়াড়দের প্রাপ্য, বোর্ডের সঙ্গে এর কোনো আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য আইসিসি থেকে ৫ লাখ মার্কিন ডলার প্রিপারেশন মানি হিসেবে ইতোমধ্যে বিসিবি পেয়েছে বলেও জানান নাজমুল। খেলোয়াড়দের জন্য আলাদা কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। 'কেন? ওরা ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, তাহলে ওদের পিছে আমরা যে এতো কোটি কোটি টাকা খরচ করতেছি, আমরা কি ওদের কাছ থেকে ওই টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি? চাচ্ছি এই প্রশ্নের উত্তর দেন আমাকে?' প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগে যেসব দলের খেলোয়াড়দের বসে থাকতে হচ্ছে বেশ কিছু দল অংশগ্রহণ না করায়, তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া আর জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের না দেয়া প্রসঙ্গে বলেছেন, 'তাদের বাস্তবতা আর ১ম বিভাগের বাস্তবতা তো এক না। জাতীয় দলে, কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের বেতন আছে, চিকিৎসা ভাতা আছে, চোট পেলে বীমা যদি দেয় ১০ লাখ টাকা বিসিবি খরচ করে ১ কোটি টাকা, তাদের সঙ্গে ওদের (প্রথম বিভাগে বঞ্চিত) মেলানো এক হবে না।' 

তবে বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে বোর্ডের ইতিবাচক অবস্থানের কথাই জানিয়েছেন নাজমুল, শুধু সমস্যা ভারতে গিয়ে খেলা, 'আমি..মানে আমাদের বোর্ড কখনো বলে নাই, আমাদের দেশ কখনো বলে নাই আমরা বিশ্বকাপ খেলবো না। আমরা বিশ্বকাপ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। আমাদের শুধুমাত্র আমাদেরকে খেলার পরিবেশটা তৈরি করে দিতে হবে, যেই পরিবেশটা ভারতের মাটিতে সম্ভব না।'