Image description

এবারের বিপিএলে ফিক্সিং নিয়ে ব্যাপক সচেতন বিসিবি। দিন দুয়েক আগে ঢাকা ক্যাপিটালসের রহমানউল্লাহ গুরবাজ যখন ঘুমাতে গেছেন, তখন তার রুমে দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা ঢুকে পড়েন বলে গতকাল জানিয়েছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান নির্বাহী আতিক ফাহাদ।

 

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মতে, কেউ তো এমনি এমনি কারও ফোন নেয় না। এটা পর্যবেক্ষণের একটা অংশ। আমার ফোনও যেকোনো সময় নিতে পারে। তাদের সেই অধিকার রয়েছে।’

দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট তাদের কাজ ঠিকঠাক করছে জানিয়ে মিঠু বলেন, ‘‘এটা তো আমিও জানি না। দেখুন আমি একটা কথা বলি। তারা খুবই কঠোর। একটা পিএমও এরিয়া আছে, যেখানে আপনি জানেন আম্পায়াররাও থাকেন ও বসেন। সেই এলাকার মধ্যে মানে ড্রেসিংরুমে এমনকি আমি বিপিএল ম্যানেজ করছি, আমারও সেখানে যাওয়া নিষেধ। কতটা কঠোর অবস্থায় তারা (আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা) আছেন, কতটা আত্মনিবেদন নিয়ে কাজ করছেন, এটাই তার প্রমাণ।’

 

‘‘গুরবাজের যে কথা আছে, সেটা আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালায় স্পষ্ট লেখা আছে, তাদের সেভাবে পর্যবেক্ষণ করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ১৫ তারিখের পর আমাদের দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তারা আপনাদের জানাবেন।’’

বিশ্বকাপসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে ফিক্সিং ঠেকাতে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়, এবারের বিপিএলেও সেভাবেই হচ্ছে বলে জানান মিঠু, ‘‘অভিযোগ নিয়ে কিছু বলার নেই। দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট একটা স্বাধীন ইউনিট। আমরা তাদের সহায়তা নিচ্ছি। প্লাস আপনারা জানেন যে আমরা এটার সঙ্গে যুক্ত। আইসিসির থেকে তাদের ম্যানেজার আনা হয়েছে, যাতে আরেকটা ইউনিট হিসেবে কাজ করে। এখন পর্যন্ত তারা দুর্নীতবিরোধী যে নীতিমালা আছে এবং যেসব কোড আছে, সেটা বজায় রেখেই অপারেশন পরিচালনা করছে। এটা বিশ্বকাপ ওঅন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যেভাবে হয়, বাংলাদেশ সেটাই অনুসরণ করছে। এখন বাড়াবাড়ি হচ্ছে আপনার ওপরে।’’

 

মিঠুর মতে, এবারের বিপিএলে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট কঠোর হওয়ায় ফিক্সিং অনেকটা কমে গেছে, ‘‘আমি যেটা নিশ্চিত হয়েছি, তারা দুর্নীতিবিরোধী ধারা ও নিয়মে যা আছে, সেটা শতভাগ বজায় করে চলেছে। কিছু কিছু আন্তর্জাতিক কোম্পানি যারা এটা পর্যবেক্ষণ করে, তাদের কাছ থেকে আপনি খোঁজ নিতে পারেন। আপনারা দেখবেন সন্দেহভাজন কর্মকাণ্ড কমে গেছে।’’