লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটি আর ইনিংস ঘোষণার মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানকে জয়ের জন্য ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। সেঞ্চুরি করার পরের ওভারেই আউট হন লিটন। এরপরই সাইডলাইন থেকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ইনিংস ঘোষণা করার ইশারা দেন। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে।
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড থাকায় দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৪৭৮ রান। ফলে জিততে হলে আফগানিস্তানকে করতে হবে ৪৭৯ রান।
এর আগে মেহেদী হাসান মিরাজ ফিফটি তুলে নেওয়ার পর সেঞ্চুরির অপেক্ষায় ছিলেন লিটন দাস। স্পিনার কায়েস আহমেদের বল কাট করে দারুণ এক চার মেরে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান লিটন। টেস্ট ক্রিকেটে এটি তাঁর সপ্তম সেঞ্চুরি। পাঁচ ইনিংস পর সাদা পোশাকে শতকের দেখা পেলেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫৩ রান করেছিলেন লিটন। তবে এই টেস্টের আগে তিন ইনিংসেই রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ইনিংসে ডাক মেরেছিলেন। সেই ব্যর্থতা পেছনে ফেলে এবার ফিফটি ও সেঞ্চুরিতে নিজের প্রত্যাবর্তন রাঙালেন তিনি।
অন্যদিকে, লিটনের সেঞ্চুরির আগেই টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম ফিফটি তুলে নেন মিরাজ। তাঁর সঙ্গে লিটনের দৃঢ়তায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ।
তবে সেঞ্চুরির পর ইনিংস বেশি দূর এগিয়ে নিতে পারেননি লিটন। পেসার মোহাম্মদ সেলিমের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ১১৭ বলে ১৪টি চারের সাহায্যে ১০২ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার।
লিটন আউট হওয়ার পরপরই ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩৭২ রান। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪৭৮ রানের লিড নিয়ে আফগানিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে শান্তর দল।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করেছিল ৩৪৬ রান। জবাবে আফগানিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে ২৪০ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে লিটন ১০২, নাজমুল হোসেন শান্ত ৮২, মুশফিকুর রহিম ৮১ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ অপরাজিত ৫২ রান করেন। আফগানিস্তানের হয়ে সেলিম ৬৯ রানে ২টি এবং জিয়াউর ৮৬ রানে ২টি উইকেট নেন।