Image description

নতুন প্রজন্মের পেসার খুঁজে বের করতে দেশজুড়ে প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও রবি আজিয়াটা যৌথভাবে শুরু করছে ‘রবি বোলার হান্ট’। 

প্রায় আট বছর পর বিসিবি এটি ফিরিয়ে আনছে। মঙ্গলবার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যোগটির ঘোষণা দেওয়া হয়। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সিলেটে শুরু হবে আঞ্চলিক পর্যায়ের ট্রায়াল।

এরপর দেশের সব বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে বাছাইপর্ব। ঢাকায় হবে দুটি ধাপ, যার মধ্যে থাকবে চূড়ান্ত পর্ব। সব মিলিয়ে দেশের ৯টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে বোলার হান্টের ট্রায়াল। তবে এবার ঠিক কতজন বোলারকে চূড়ান্তভাবে বেছে নেওয়া হবে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতরা পুরস্কারের পাশাপাশি বিসিবির হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পাবেন।

বিভাগীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শেষে প্রতিটি ভেন্যু থেকে নির্দিষ্টসংখ্যক বোলারকে ঢাকার চূড়ান্ত ক্যাম্পে ডাকা হবে। সেখান থেকে বিজয়ীদের বিসিবির গ্রুমিং প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের জন্য তাদের নিয়ে কাজ করবে বিসিবি।

 

পুরো কার্যক্রমে বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবির কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও সোহেল আহমেদ। তাদের সঙ্গে থাকবেন পাকিস্তানের সাবেক লেগস্পিনার মুশতাক আহমেদ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক পেসার কোরি কলিমোর।

মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে নিবন্ধন। মাই রবি ও মাই সার্কেল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন আগ্রহীরা। পুরুষ ও নারী- উভয় বিভাগের ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী ক্রিকেটাররা নিজেদের অঞ্চলের ট্রায়ালের আগের দিন পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারবেন। 

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে প্রথমবার পেস বোলিং প্রতিভা খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০০৪ সালে। সেই আয়োজন থেকেই উঠে এসেছিলেন রুবেল হোসেন। ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন এই পেসার।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে রবির সহযোগিতায় দুটি পেস বোলিং হান্ট ও দুটি স্পিন বোলিং হান্ট আয়োজন করে বিসিবি। সেই কার্যক্রম থেকেও উঠে আসে বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান বোলার। পেসার এবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ জায়গা করে নেন সেই আয়োজনের মাধ্যমে। পাশাপাশি লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনও এই প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রমের পথ ধরে উঠে আসেন।