Image description

ফ্রান্সকে হারিয়ে শুধু বিশ্বকাপের ফাইনালেই ওঠেনি স্পেন, ছুঁয়েছে পুরুষ আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে দীর্ঘ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও। টানা ৩৭ ম্যাচে না হেরে এখন ইতালির পাশে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

ডালাসে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবাল ও পেদ্রো পোরোর গোলে পাওয়া এই জয় তাদের অপরাজিত যাত্রার ২৮তম সাফল্য। বাকি নয়টি ম্যাচ হয়েছে ড্র।

এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রবার্তো মানচিনির অধীনে টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত ছিল ইতালি। মজার বিষয় হচ্ছে, ইতালির সেই রেকর্ডযাত্রা থামিয়েছিল স্পেনই। ২০২১ সালের অক্টোবরে উয়েফা নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে ইতালিকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল তারা।

স্পেন সর্বশেষ হেরেছিল ২০২৪ সালের মার্চে। লন্ডনে প্রীতি ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হওয়ার চার দিন পর ব্রাজিলের সঙ্গে ৩-৩ ড্র দিয়ে শুরু হয় বর্তমান অপরাজিত যাত্রা। এরপর দুই বছরের বেশি সময় ধরে আর কোনো দল তাদের হারাতে পারেনি।

এই ৩৭ ম্যাচে স্পেন ৯৪ গোল করেছে, হজম করেছে ২৮টি। সবচেয়ে বড় জয় বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তুরস্কের বিপক্ষে ৬-০ ব্যবধানে। সবচেয়ে বেশি গোলের ম্যাচটি ছিল ২০২৫ নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ৫-৪ ব্যবধানের জয়।

এই ধারার মধ্যে স্পেন ২০২৫ নেশন্স লিগের ফাইনালে পর্তুগালের কাছে টাইব্রেকারে হেরেছিল। তবে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ম্যাচটি ২-২ থাকায় পরিসংখ্যানে সেটি ড্র হিসেবেই ধরা হয়েছে। টাইব্রেকারের ফল আন্তর্জাতিক ফুটবলে সাধারণত আলাদা জয় বা পরাজয় হিসেবে যুক্ত হয় না।

২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের শুরু হয়েছিল কেপ ভার্দের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র দিয়ে। এরপর টানা সৌদি আরব, উরুগুয়ে, অস্ট্রিয়া, পর্তুগাল, বেলজিয়াম ও ফ্রান্সকে হারিয়েছে তারা। সাত ম্যাচে ১৩ গোল করার বিপরীতে হজম করেছে মাত্র একটি।

এবার বিশ্বকাপের ফাইনালেই রেকর্ডটি এককভাবে নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে স্পেন। আর্জেন্টিনা অথবা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে না হারলেই তাদের অপরাজিত যাত্রা পৌঁছাবে ৩৮ ম্যাচে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগও থাকবে সামনে