একমাত্র টেস্টে হারের লজ্জা নিয়ে শুরু হয় ওয়ানডে অভিযান। শক্তির জায়গা বোলিং অ্যাটাকের সেরা পেসাররা যোগ হয়েছিলেন দলে। তাদের নিয়ে ওয়ানডেতে ভালো কিছুর স্বপ্ন ছিল। কিন্তু সে গুড়েবালি। বোলারদের সাফল্য বরাবরের মতো ম্লান ব্যাটিং ব্যর্থতায়। ওয়ানডে সিরিজে তাই জুটল টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হার। এবার ১৩ রানের হারে ওয়ানডে সিরিজ খোয়াল বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে। জবাবে বাংলাদেশ ২৩৪ রানে অলআউট হয়।
গত ম্যাচে ১৪২ রানের লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি মেহেদী হাসান মিরাজের দল। এবার আরও একশ রান (২৪৬) বেড়েছিল জিম্বাবুয়ের বোর্ডে। স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাটিং ব্যর্থতার পুরোনো রোগে ভোগা বাংলাদেশের এই রান টপকানোতেও ভয় ছিল। দিন শেষে সেই ভয় সত্যি হলো।
অধিনায়ক মিরাজ শেষ পর্যন্ত উইকেটে থেকেও দলকে জয় উপহার দিতে ব্যর্থ। সাহসী ব্যাটিং নয়, রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করার মাশুল দিলেন অধিনায়ক নিজেই। নিজে ক্রিজে যাওয়ার পর প্রায় ১৩ ওভারের মতো পেলেও বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং ছিল না তার। দৃষ্টিকটু ব্যাটিং পারফরম্যান্সে ৩৩ বলে ২৭ রানে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন মিরাজ।
এর আগে তাওহীদ হৃদয় ও তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে ব্যাটিং ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা ছিল। দুজনের মতো বাকি ব্যাটাররা রান না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। হৃদয় ৯০ বলে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন। তানজিদ করেন ৭০ বলে ৫৭। দুজনে তৃতীয় উইকেটে যোগ করেন ৮৪ রান। আউট হওয়ার আগে নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন আরও ৪৭ রান। এছাড়া মোসাদ্দেক ৭, সৌম্য সরকার ৫, নাজমুল হোসেন শান্ত ৯ রানে ফেরায় জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য ছোঁয়া কঠিন হয়।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেছেন কারেন। ওপেনিংয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন এই ব্যাটার। সিকান্দার রাজাকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৬৮ রানের জুটি গড়েন। রাজা ৫৩ বলে ৩৩ রান করে থামেন।
পরে ব্র্যাড ইভানসের সঙ্গে অপরাজিত সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশকে হতাশা উপহার দেন কারেন। এই জুটিতে ১৩ ওভারে ৯৯ রান যোগ হয়েছে জিম্বাবুয়ের বোর্ডে। ৩৮ বলে ৫ ছক্কা ও ২ চারে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরিতে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন পেসার ইভানস। কারেন অপরাজিত ছিলেন ১৩৫ বলে ১১১ রানে।